২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তপ্ত কেশপুর, পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর। জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে কেশপুরে ১০০ দিনের প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেই মিছিলে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনা। কেশপুর থানার গরগজপোতা এবং শাকপুর দুই গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, শুরু হয় বাস লাঠি নিয়ে হাতাহাতি, ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আহত চারজনকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে। পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শাসকদলের নেতারা। এলাকায় রয়েছে উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়ন বিশাল পুলিশবাহিনী।

যদিও এই বিষয় নিয়ে বিজেপি কটাক্ষ করতে শুরু করে দিয়েছে, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন আসলে কার দখলে থাকবে এলাকা, সেই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে লড়াই।

প্রসঙ্গত সোমবার সভা থেকে পুলিশকে সময় চেয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন দাপুটে তৃণমূল নেতা মোহাম্মদ রফিক, তাই নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিজেপি নেতা তনময় দাস।

যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা অস্বীকার করলেন বিধায়ক তথা জেলার নেতা অজিত মাইতি, তিনি বলেন এটি দুটো পাড়ার মধ্যে সমস্যা, এটা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে হবে না পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত শুরু করেছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তপ্ত কেশপুর, পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী

আপডেট : ৭ জুন ২০২২, মঙ্গলবার

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর। জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে কেশপুরে ১০০ দিনের প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেই মিছিলে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনা। কেশপুর থানার গরগজপোতা এবং শাকপুর দুই গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, শুরু হয় বাস লাঠি নিয়ে হাতাহাতি, ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আহত চারজনকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে। পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শাসকদলের নেতারা। এলাকায় রয়েছে উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়ন বিশাল পুলিশবাহিনী।

যদিও এই বিষয় নিয়ে বিজেপি কটাক্ষ করতে শুরু করে দিয়েছে, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন আসলে কার দখলে থাকবে এলাকা, সেই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে লড়াই।

প্রসঙ্গত সোমবার সভা থেকে পুলিশকে সময় চেয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন দাপুটে তৃণমূল নেতা মোহাম্মদ রফিক, তাই নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিজেপি নেতা তনময় দাস।

যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা অস্বীকার করলেন বিধায়ক তথা জেলার নেতা অজিত মাইতি, তিনি বলেন এটি দুটো পাড়ার মধ্যে সমস্যা, এটা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে হবে না পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত শুরু করেছে।