২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

বেহাল অবস্থায় পড়েছিল ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর থাকা ডেউচা ব্রিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক:- ডেউচা ব্রিজটি সংস্কার চলাকালীন যাতে জাতীয় সড়কের উপর অতিরিক্ত যানজট না হয় তার জন্য বেশ কিছু গাড়ি সাঁইথিয়া মল্লারপুর হয়ে ঘুরিয়ে রামপুরহাটের দিকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। তবে এই সাময়িক কষ্ট হলেও দীর্ঘদিন পর এই সেতু ভালোভাবে সংস্কার হওয়া শুরু হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা। বছরের কাছাকাছি সময় ধরে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর থাকা ডেউচা ব্রিজ। দ্বারকা নদীর উপর থাকা এই ব্রিজ দ্বারকা ব্রিজ বা ডেউচা ব্রীজ নামে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্রিজ বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় যানবাহন থেকে সাধারণ পথচলতি মানুষ প্রত্যেককেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। এমত অবস্থায় এই ব্রিজের কাজ পুনরায় সংস্কার শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে খুশি এলাকার বাসিন্দারা। এই ডেউচা ব্রিজের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এই ব্রিজ বীরভূমের উপর দিয়ে যাওয়া রাণীগঞ্জ থেকে মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর অবস্থিত এবং সিউড়ি রামপুরহাট সহ এই রুটে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। এই জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে দিনে কয়েক হাজার যানবাহন যাতায়াত করে থাকে। ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পরে থাকার কারণে যানবাহন যাতায়াতের ক্ষেত্রে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। এর আগেও এই ব্রীজ একাধিকবার বেহাল অবস্থা হয়ে যাওয়ার পর সংস্কার করা হয়। তবে সেই সকল সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। যে কারণে এবার ৮০% সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি সূত্রে। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের তরফ থেকে জানা যাচ্ছে, এবার এই ব্রিজের উপর বাঁধের পিলার ছাড়া পুরোটাই ভেঙে ফেলা হবে এবং নতুন করে নির্মাণ করা হবে। যে কারণে এই কাজ সময় সাপেক্ষ। প্রথমদিকে একমাস কাজ চলবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও পরে তিন মাস কাজ চলবে জানানো হয়। অন্যদিকে এই দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্রীজ সংস্কারের কাজ চলার পরিপ্রেক্ষিতে যাতে যানবাহন চলাচল অথবা পথচলতি মানুষদের অসুবিধা না হয় তার জন্য বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিকল্প পথ বলতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নদীর উপর একটি ১০০ মিটার বাঁধ অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। যার উপর রাস্তা তৈরি করে যানবাহন পারাপার করানো হচ্ছে। যদিও এই অস্থায়ী বাঁধের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হলে দিতে হবে নির্দিষ্ট শুল্ক।

সর্বাধিক পাঠিত

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বেহাল অবস্থায় পড়েছিল ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর থাকা ডেউচা ব্রিজ

আপডেট : ১২ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- ডেউচা ব্রিজটি সংস্কার চলাকালীন যাতে জাতীয় সড়কের উপর অতিরিক্ত যানজট না হয় তার জন্য বেশ কিছু গাড়ি সাঁইথিয়া মল্লারপুর হয়ে ঘুরিয়ে রামপুরহাটের দিকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। তবে এই সাময়িক কষ্ট হলেও দীর্ঘদিন পর এই সেতু ভালোভাবে সংস্কার হওয়া শুরু হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা। বছরের কাছাকাছি সময় ধরে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর থাকা ডেউচা ব্রিজ। দ্বারকা নদীর উপর থাকা এই ব্রিজ দ্বারকা ব্রিজ বা ডেউচা ব্রীজ নামে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্রিজ বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় যানবাহন থেকে সাধারণ পথচলতি মানুষ প্রত্যেককেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। এমত অবস্থায় এই ব্রিজের কাজ পুনরায় সংস্কার শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে খুশি এলাকার বাসিন্দারা। এই ডেউচা ব্রিজের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এই ব্রিজ বীরভূমের উপর দিয়ে যাওয়া রাণীগঞ্জ থেকে মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর অবস্থিত এবং সিউড়ি রামপুরহাট সহ এই রুটে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। এই জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে দিনে কয়েক হাজার যানবাহন যাতায়াত করে থাকে। ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পরে থাকার কারণে যানবাহন যাতায়াতের ক্ষেত্রে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। এর আগেও এই ব্রীজ একাধিকবার বেহাল অবস্থা হয়ে যাওয়ার পর সংস্কার করা হয়। তবে সেই সকল সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। যে কারণে এবার ৮০% সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি সূত্রে। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের তরফ থেকে জানা যাচ্ছে, এবার এই ব্রিজের উপর বাঁধের পিলার ছাড়া পুরোটাই ভেঙে ফেলা হবে এবং নতুন করে নির্মাণ করা হবে। যে কারণে এই কাজ সময় সাপেক্ষ। প্রথমদিকে একমাস কাজ চলবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও পরে তিন মাস কাজ চলবে জানানো হয়। অন্যদিকে এই দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্রীজ সংস্কারের কাজ চলার পরিপ্রেক্ষিতে যাতে যানবাহন চলাচল অথবা পথচলতি মানুষদের অসুবিধা না হয় তার জন্য বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিকল্প পথ বলতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নদীর উপর একটি ১০০ মিটার বাঁধ অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। যার উপর রাস্তা তৈরি করে যানবাহন পারাপার করানো হচ্ছে। যদিও এই অস্থায়ী বাঁধের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হলে দিতে হবে নির্দিষ্ট শুল্ক।