১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই উপকূল সমীপে চলে আসার কথা অশনি-র

নিজস্ব প্রতিবেদক:- গতি বাড়াল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর এখন সে ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে। মৌসম ভবনের দেওয়া শেষ খবর অনুযায়ী সোমবার সকালে ঝড়টি পুরী থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। আবহবিদদের অনুমান মিললে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই উপকূল সমীপে চলে আসার কথা ‘অশনি’র।এ দিকে সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি হওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে ‘অশনি’র প্রভাবে সেই বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার সকাল থেকে। সোমবারের এই বৃষ্টির নেপথ্যেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব রয়েছে কি না তা স্পষ্ট জানায়নি মৌসম ভবন। তবে আবহবিদরা মনে করছেন, সরাসরি না হলেও সোমবারের বৃষ্টির পরোক্ষ কারণ ঘূর্ণিঝড়ই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে সোমবার শুরু হওয়া এই বৃষ্টি বাংলায় চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। সোমবার হুগলী এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল সকাল থেকে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে দুপুর পর্যন্ত ওই বৃষ্টি জারি থাকবে ছয় জেলায়। তবে ‘অশনি’ কোন পথে স্থলভাগে ঢুকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে দেওয়া আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র তৈরি হয়নি। ফলে ঘূর্ণিঝড়ের উপকূলের দিকে এগনোর গতিবেগ জানা গেলেও ঘূর্ণিঝড়ের ঘূর্ণাবর্তের গতি কতটা, স্থলভাগে সেটি প্রবেশ করলে কত গতিতে ঝড় হবে তা জানা যায়নি।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই উপকূল সমীপে চলে আসার কথা অশনি-র

আপডেট : ১০ মে ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- গতি বাড়াল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর এখন সে ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে। মৌসম ভবনের দেওয়া শেষ খবর অনুযায়ী সোমবার সকালে ঝড়টি পুরী থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। আবহবিদদের অনুমান মিললে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই উপকূল সমীপে চলে আসার কথা ‘অশনি’র।এ দিকে সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি হওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে ‘অশনি’র প্রভাবে সেই বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার সকাল থেকে। সোমবারের এই বৃষ্টির নেপথ্যেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব রয়েছে কি না তা স্পষ্ট জানায়নি মৌসম ভবন। তবে আবহবিদরা মনে করছেন, সরাসরি না হলেও সোমবারের বৃষ্টির পরোক্ষ কারণ ঘূর্ণিঝড়ই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে সোমবার শুরু হওয়া এই বৃষ্টি বাংলায় চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। সোমবার হুগলী এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল সকাল থেকে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে দুপুর পর্যন্ত ওই বৃষ্টি জারি থাকবে ছয় জেলায়। তবে ‘অশনি’ কোন পথে স্থলভাগে ঢুকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে দেওয়া আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র তৈরি হয়নি। ফলে ঘূর্ণিঝড়ের উপকূলের দিকে এগনোর গতিবেগ জানা গেলেও ঘূর্ণিঝড়ের ঘূর্ণাবর্তের গতি কতটা, স্থলভাগে সেটি প্রবেশ করলে কত গতিতে ঝড় হবে তা জানা যায়নি।