২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া১নং পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো

রাহুল রায়, পূর্ব বর্ধমান:

বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া১নং পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো। উপস্থিত ছিলেন ১নং ব্লক কৃষি অধিকর্তা জনাব আজমীর মন্ডলের পৌরহিত্যে, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কণিকা বাইন সরকার, ভারপ্রাপ্ত বি ডি ও প্রসূণ প্রামাণিকের, ব্লক কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রঞ্জিৎ মন্ডল সহ বিভিন্ন জি পি-র প্রধান ও সমিতির সদস্যগণ ।
এই প্রকল্প থেকে অনুদান পেতে গেলে নিজের নামের কম্পিউটার পরচা ছাড়া কোন কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়। দলিল, হাতে লেখা পরচা এবং ওয়ারিশন্ সার্টিফিকেট একদম চলবে না।


জমির সবকিছু কাগজ ঠিক থাকলে বছরে দু’বার এক একর পর্যন্ত জমির মালিক ২৫০০ টাকা করে মোট ৫০০০ টাকা পেতে পারবেন। কোনভাবেই এর বেশি টাকা কোন চাষী পাবেন না।
এইরকমভাবে এক শতক হতে চল্লিশ শতক পর্যন্ত মালিক এক হাজার টাকা পেতে পারবেন এবং এরপর প্রতি শতকে কৃষক পঁচিশ টাকা করে বেশী পেতে পারবেন।

প্রকল্পটি সারা বছর চলবে, সুতরাং কৃষক তাঁদের কেনা জমির দলিল, মৃত বাবা-মায়ের ওয়ারিশ সম্পত্তি রেকর্ড করে নিয়ে তাড়াতাড়ি তার কম্পিউটার পরচা তৈরী করুন।
বি এল আর ও সাহেব সাহায্যের জন্য তৈরী আছেন।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া১নং পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো

আপডেট : ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, বুধবার

রাহুল রায়, পূর্ব বর্ধমান:

বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া১নং পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো। উপস্থিত ছিলেন ১নং ব্লক কৃষি অধিকর্তা জনাব আজমীর মন্ডলের পৌরহিত্যে, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কণিকা বাইন সরকার, ভারপ্রাপ্ত বি ডি ও প্রসূণ প্রামাণিকের, ব্লক কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রঞ্জিৎ মন্ডল সহ বিভিন্ন জি পি-র প্রধান ও সমিতির সদস্যগণ ।
এই প্রকল্প থেকে অনুদান পেতে গেলে নিজের নামের কম্পিউটার পরচা ছাড়া কোন কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়। দলিল, হাতে লেখা পরচা এবং ওয়ারিশন্ সার্টিফিকেট একদম চলবে না।


জমির সবকিছু কাগজ ঠিক থাকলে বছরে দু’বার এক একর পর্যন্ত জমির মালিক ২৫০০ টাকা করে মোট ৫০০০ টাকা পেতে পারবেন। কোনভাবেই এর বেশি টাকা কোন চাষী পাবেন না।
এইরকমভাবে এক শতক হতে চল্লিশ শতক পর্যন্ত মালিক এক হাজার টাকা পেতে পারবেন এবং এরপর প্রতি শতকে কৃষক পঁচিশ টাকা করে বেশী পেতে পারবেন।

প্রকল্পটি সারা বছর চলবে, সুতরাং কৃষক তাঁদের কেনা জমির দলিল, মৃত বাবা-মায়ের ওয়ারিশ সম্পত্তি রেকর্ড করে নিয়ে তাড়াতাড়ি তার কম্পিউটার পরচা তৈরী করুন।
বি এল আর ও সাহেব সাহায্যের জন্য তৈরী আছেন।