২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

রক্তদানে সেঞ্চুরি করতে চান গোলাম

মোঃ নাওয়াজ শরীফ, নতুন গতি, মালদা: গণমাধ্যমকর্মী গোলাম মুস্তাফা সবসময় জড়িত থাকেন স্বেচ্ছাসেবামূলক নানা কর্মকাণ্ডে। কখনো মানবতার সেবায় শীতবস্ত্র, কখনো অনাহারির মুখে খাবার কিংবা এই করোনাকালে জনসাধারণকে সচেতন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন “হেল্প ফর ইউ ফাউন্ডেশন”। আর গোলাম এই সংস্থার একজন সক্রিয় সদস্য। রক্তদাতা হিসাবেও গোলামের বেশ পরিচিতি আছে।

গোলাম তার নিজের শহর মালদাতে থাকাকালীন এই রমজান মাসে সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের পর প্রথম বারের মত রক্তদান করেন। প্রসূতি রোগীকে রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে এ যাত্রার শুরু হয়। প্রতি চার মাস পর পর গোলাম রক্ত দেওয়ার জন্য রোগী খোঁজেন।

গত বুধবার (৬ই এপ্রিল) মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক রোগীকে রক্ত দেন গোলাম। তিনি জানান, এবার পঞ্চম বার রক্তদান করলেন। রক্তদানে সেঞ্চুরি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন গোলাম।

রক্তদান করতে ভালো লাগার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যখন চিন্তা করি আমার রক্ত দেওয়ার মাধ্যামে একজনের জীবন বেঁচে গেছে, তখন অজানা তৃপ্তি পাই। রক্ত দেওয়ার পর রোগীর স্বজনদের হাসিমুখই আমার পরম প্রাপ্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রক্তদানের ব্যাপারে আরেকটা ভালো লাগার বিষয় হলো যখন আমার রক্তদানের কথা শুনে আরেক স্বেচ্ছাসেবী ভাই অনুপ্রাণিত হয়। যখন কেউ এসে বলে- আপনার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে আজ আমি ব্লাড নিয়ে কাজ করছি। তখন মনের অজান্তেই আনন্দে অশ্রুসিক্ত হয়ে যাই।’

রক্তদান করতে গিয়ে বিড়ম্বনা নিয়ে তিনি দুঃখ করে বলেন, ‘মাঝে মাঝে রক্ত দিতে গিয়ে অনেক খারাপ লাগে, রোগী পাওয়া যায় না কিংবা যার রক্ত লাগবে না, তার স্বজনরা শুধু শুধুই রক্তদাতাদের নিয়ে গিয়ে ঘুরিয়ে দেয়।’

আর যারা রক্তদান করতে ভয় পান, তাদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘রক্ত দান করলে কোনো ক্ষতি হয় না। নিয়মিত রক্ত দান করলে শরীর ও মন ভালো থাকে।’

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রক্তদানে সেঞ্চুরি করতে চান গোলাম

আপডেট : ৭ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

মোঃ নাওয়াজ শরীফ, নতুন গতি, মালদা: গণমাধ্যমকর্মী গোলাম মুস্তাফা সবসময় জড়িত থাকেন স্বেচ্ছাসেবামূলক নানা কর্মকাণ্ডে। কখনো মানবতার সেবায় শীতবস্ত্র, কখনো অনাহারির মুখে খাবার কিংবা এই করোনাকালে জনসাধারণকে সচেতন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন “হেল্প ফর ইউ ফাউন্ডেশন”। আর গোলাম এই সংস্থার একজন সক্রিয় সদস্য। রক্তদাতা হিসাবেও গোলামের বেশ পরিচিতি আছে।

গোলাম তার নিজের শহর মালদাতে থাকাকালীন এই রমজান মাসে সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের পর প্রথম বারের মত রক্তদান করেন। প্রসূতি রোগীকে রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে এ যাত্রার শুরু হয়। প্রতি চার মাস পর পর গোলাম রক্ত দেওয়ার জন্য রোগী খোঁজেন।

গত বুধবার (৬ই এপ্রিল) মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক রোগীকে রক্ত দেন গোলাম। তিনি জানান, এবার পঞ্চম বার রক্তদান করলেন। রক্তদানে সেঞ্চুরি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন গোলাম।

রক্তদান করতে ভালো লাগার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যখন চিন্তা করি আমার রক্ত দেওয়ার মাধ্যামে একজনের জীবন বেঁচে গেছে, তখন অজানা তৃপ্তি পাই। রক্ত দেওয়ার পর রোগীর স্বজনদের হাসিমুখই আমার পরম প্রাপ্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রক্তদানের ব্যাপারে আরেকটা ভালো লাগার বিষয় হলো যখন আমার রক্তদানের কথা শুনে আরেক স্বেচ্ছাসেবী ভাই অনুপ্রাণিত হয়। যখন কেউ এসে বলে- আপনার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে আজ আমি ব্লাড নিয়ে কাজ করছি। তখন মনের অজান্তেই আনন্দে অশ্রুসিক্ত হয়ে যাই।’

রক্তদান করতে গিয়ে বিড়ম্বনা নিয়ে তিনি দুঃখ করে বলেন, ‘মাঝে মাঝে রক্ত দিতে গিয়ে অনেক খারাপ লাগে, রোগী পাওয়া যায় না কিংবা যার রক্ত লাগবে না, তার স্বজনরা শুধু শুধুই রক্তদাতাদের নিয়ে গিয়ে ঘুরিয়ে দেয়।’

আর যারা রক্তদান করতে ভয় পান, তাদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘রক্ত দান করলে কোনো ক্ষতি হয় না। নিয়মিত রক্ত দান করলে শরীর ও মন ভালো থাকে।’