২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

পারিবারিক বিবাদের জেরে মায়ের প্রেমিককে ছুরি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে

নিজস্ব সংবাদদাতা : পারিবারিক বিবাদের জেরে মায়ের প্রেমিককে ছুরি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে ব্যান্ডেলের সাহেবপাড়ার এই ঘটনায় বান্টি দাস নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় সুনীল গুপ্ত নামে ওই ব্যক্তি চুঁচুড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চন্দননগর কমিশনারেটের এক কর্তা জানান, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহারের পটনার বাসিন্দা কানাই দাসের সঙ্গে বছর ৩০ আগে বিয়ে হয়েছিল তাপসীদেবীর। তাঁদের তিন ছেলে। তাঁরা এখন সাহেবপাড়াতেই থাকেন। এরপর স্বামী ও ছেলেদের ছেড়ে তাপসীদেবী ওই পাড়ারই বাসিন্দা সুনীলবাবুর সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তা নিয়ে স্বামী ও ছেলেদের সঙ্গে বিবাদ চলছিল তাপসীদেবীর।বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ খাওয়া সেরে তাপসীদেবী ও সুনীল গল্প করছিলেন। সেই সময় তাপসীদেবীর বড় ছেলে বান্টি এসে ছুরি নিয়ে সুনীলবাবুর পেটে ও বুকে কোপাতে শুরু করে। তাপসীদেবীর চিৎকারে পড়শিরা এলে চম্পট দেয় বান্টি। জখম সুনীলবাবুকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।বান্টির বিরুদ্ধে তাপসীদেবীই খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। রাতেই তাকে ধরে পুলিশ। শুক্রবার তাকে চুঁচুড়া আদালতে পাঠানো হয়। তাপসীদেবীর ক্ষোভ, ‘‘বান্টির বাবার ইন্ধনেই এই কাজ করেছে আমার ছেলে। আগে ছেলেদের সঙ্গে আমার ভাল সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ওর বাবাই কুমন্ত্রণা দিয়ে বান্টিকে খুন করতে পাঠিয়েছিল।’’

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পারিবারিক বিবাদের জেরে মায়ের প্রেমিককে ছুরি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে

আপডেট : ৯ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পারিবারিক বিবাদের জেরে মায়ের প্রেমিককে ছুরি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে ব্যান্ডেলের সাহেবপাড়ার এই ঘটনায় বান্টি দাস নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় সুনীল গুপ্ত নামে ওই ব্যক্তি চুঁচুড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চন্দননগর কমিশনারেটের এক কর্তা জানান, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহারের পটনার বাসিন্দা কানাই দাসের সঙ্গে বছর ৩০ আগে বিয়ে হয়েছিল তাপসীদেবীর। তাঁদের তিন ছেলে। তাঁরা এখন সাহেবপাড়াতেই থাকেন। এরপর স্বামী ও ছেলেদের ছেড়ে তাপসীদেবী ওই পাড়ারই বাসিন্দা সুনীলবাবুর সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তা নিয়ে স্বামী ও ছেলেদের সঙ্গে বিবাদ চলছিল তাপসীদেবীর।বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ খাওয়া সেরে তাপসীদেবী ও সুনীল গল্প করছিলেন। সেই সময় তাপসীদেবীর বড় ছেলে বান্টি এসে ছুরি নিয়ে সুনীলবাবুর পেটে ও বুকে কোপাতে শুরু করে। তাপসীদেবীর চিৎকারে পড়শিরা এলে চম্পট দেয় বান্টি। জখম সুনীলবাবুকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।বান্টির বিরুদ্ধে তাপসীদেবীই খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। রাতেই তাকে ধরে পুলিশ। শুক্রবার তাকে চুঁচুড়া আদালতে পাঠানো হয়। তাপসীদেবীর ক্ষোভ, ‘‘বান্টির বাবার ইন্ধনেই এই কাজ করেছে আমার ছেলে। আগে ছেলেদের সঙ্গে আমার ভাল সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ওর বাবাই কুমন্ত্রণা দিয়ে বান্টিকে খুন করতে পাঠিয়েছিল।’’