২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

খাসজমিতে বজ্র পদার্থ ফেলার ইউনিট তৈরি করায় বাধা গ্রামবাসীদের,গ্রামবাসীদের তরফ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে

আব্দুস সামাদ, জঙ্গিপুর:-রাজ্য সরকারের মিশন নির্মাণ বাংলা প্রকল্পের অংশ হিসেবে। রাজ্যের প্রতিটি গ্রামপঞ্চায়েতের বুথে বুথে বজ্র পদার্থ ফেলার জন্য প্রতিস্থাপনের একধিক ইউনিট গড়ে তোলা হবে, সরকারের নিদ্রিষ্ট জায়গার মধ্যে। এর মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি জৈব এবং অজৈব আবর্জনা পৃথক করে সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে। তেমনি মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের লক্ষ্মীজলা গ্রাম পঞ্চায়েতের একাংশ মানুষ তাদের পাট্টা জমিতে আবর্জনা ফেলার কাজ করতে দেবেনা বলে। চালু কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখালো শতাধিক মহিলা ও পুরুষ।

উল্লেখ্য রঘুনাথগঞ্জ 2 নম্বর ব্লকের লক্ষীজলা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলগাছি গঙ্গারধার ফেজার নগর মৌজায় তৈরি হচ্ছে আবর্জনা ফেলার ইউনিট তৈরি। কিন্তূ গ্রামবাসীদের দাবি আমরা গরীব মানুষ, আমাদের সম্বল বলতে এই জমি টুকু,এই জমির উপর নির্ভর করেরে আমাদের সংসার চলে।সন্তানের মুখে দুই বেলা দুই মুঠু অন্য তুলে দিতে পারি।যদি এই সম্বল টুকু চলে যায় তাহলে আমাদের না খেয়ে মৃত্যুর পথের যাত্রী হতে হবে।তাই তিনারা বলেন রাজ্য সরকারের আরও বিভিন্ন জায়গায় খাস জমি পড়ে রয়েছে সেগুলোতে তারা এই আবর্জনা ফেলার কাজ শুরু করুক।

এই নিয়েই আজ রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্মিলিত করেন।তিনারা করা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন আমাদের দাবি না মানলে আমরা আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

যদিও এই বিষয়ে লক্ষীজলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের প্রতিনিধি মজিবুর রহমান বলেন সরকারি প্রকল্পের আওতায় এই কাজ শুরু হয়েছে এলাকার মানুষের দাবী মত এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারি আধিকারিকের সাথে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাসজমিতে বজ্র পদার্থ ফেলার ইউনিট তৈরি করায় বাধা গ্রামবাসীদের,গ্রামবাসীদের তরফ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

আব্দুস সামাদ, জঙ্গিপুর:-রাজ্য সরকারের মিশন নির্মাণ বাংলা প্রকল্পের অংশ হিসেবে। রাজ্যের প্রতিটি গ্রামপঞ্চায়েতের বুথে বুথে বজ্র পদার্থ ফেলার জন্য প্রতিস্থাপনের একধিক ইউনিট গড়ে তোলা হবে, সরকারের নিদ্রিষ্ট জায়গার মধ্যে। এর মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি জৈব এবং অজৈব আবর্জনা পৃথক করে সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে। তেমনি মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের লক্ষ্মীজলা গ্রাম পঞ্চায়েতের একাংশ মানুষ তাদের পাট্টা জমিতে আবর্জনা ফেলার কাজ করতে দেবেনা বলে। চালু কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখালো শতাধিক মহিলা ও পুরুষ।

উল্লেখ্য রঘুনাথগঞ্জ 2 নম্বর ব্লকের লক্ষীজলা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলগাছি গঙ্গারধার ফেজার নগর মৌজায় তৈরি হচ্ছে আবর্জনা ফেলার ইউনিট তৈরি। কিন্তূ গ্রামবাসীদের দাবি আমরা গরীব মানুষ, আমাদের সম্বল বলতে এই জমি টুকু,এই জমির উপর নির্ভর করেরে আমাদের সংসার চলে।সন্তানের মুখে দুই বেলা দুই মুঠু অন্য তুলে দিতে পারি।যদি এই সম্বল টুকু চলে যায় তাহলে আমাদের না খেয়ে মৃত্যুর পথের যাত্রী হতে হবে।তাই তিনারা বলেন রাজ্য সরকারের আরও বিভিন্ন জায়গায় খাস জমি পড়ে রয়েছে সেগুলোতে তারা এই আবর্জনা ফেলার কাজ শুরু করুক।

এই নিয়েই আজ রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্মিলিত করেন।তিনারা করা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন আমাদের দাবি না মানলে আমরা আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

যদিও এই বিষয়ে লক্ষীজলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের প্রতিনিধি মজিবুর রহমান বলেন সরকারি প্রকল্পের আওতায় এই কাজ শুরু হয়েছে এলাকার মানুষের দাবী মত এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারি আধিকারিকের সাথে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে।