২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চিকিৎসাধীন থাকাকালীন ৯১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন সাংসদ ও বিধায়ক প্রসেনজিৎ বর্মন

কোচবিহার: গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কোচবিহার এম.জে.এন. মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের CCU-তে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন সাংসদ(রাজ্যসভা) ও প্রাক্তন বিধায়ক প্রসেনজিৎ বর্মন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

সম্প্রতি কিছুদিন ধরেই তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কিছুদিন আগেই তাকে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান হয়েছিল। সেখানে চলছিল তার চিকিৎসা। সেখানে সুস্থ হয়ে ওঠার পর ফের কোচবিহারে নিয়ে আসা হয় তার বাড়িতে। কিন্তু হঠাৎই নতুন করে অসুস্থ হওয়ায় পড়ায় তাকে তড়িঘড়ি কোচবিহার এম.জে.এন. মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সিসিইউ বিভাগে চলছিল তার চিকিৎসা। চিকিৎসারত অবস্থায় বুধবার ভোর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তিনি একদিকে যেমন ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ, তেমনি প্রাক্তন বিধায়ক। পাশাপাশি রাজবংশী ভাষায় একাডেমীর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। কোচবিহার জেলার অন্যতম বর্ষীয়ান আইনজীবী হিসেবেও তার অবদান অতুলনীয়। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দলের অনুগত সৈনিক হিসেবে কাজ করে গিয়েছেন দীর্ঘ সময়।

বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর সংবর্ধনা সভা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চিকিৎসাধীন থাকাকালীন ৯১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন সাংসদ ও বিধায়ক প্রসেনজিৎ বর্মন

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার

কোচবিহার: গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কোচবিহার এম.জে.এন. মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের CCU-তে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন সাংসদ(রাজ্যসভা) ও প্রাক্তন বিধায়ক প্রসেনজিৎ বর্মন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

সম্প্রতি কিছুদিন ধরেই তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কিছুদিন আগেই তাকে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান হয়েছিল। সেখানে চলছিল তার চিকিৎসা। সেখানে সুস্থ হয়ে ওঠার পর ফের কোচবিহারে নিয়ে আসা হয় তার বাড়িতে। কিন্তু হঠাৎই নতুন করে অসুস্থ হওয়ায় পড়ায় তাকে তড়িঘড়ি কোচবিহার এম.জে.এন. মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সিসিইউ বিভাগে চলছিল তার চিকিৎসা। চিকিৎসারত অবস্থায় বুধবার ভোর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তিনি একদিকে যেমন ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ, তেমনি প্রাক্তন বিধায়ক। পাশাপাশি রাজবংশী ভাষায় একাডেমীর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। কোচবিহার জেলার অন্যতম বর্ষীয়ান আইনজীবী হিসেবেও তার অবদান অতুলনীয়। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দলের অনুগত সৈনিক হিসেবে কাজ করে গিয়েছেন দীর্ঘ সময়।