২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কলকাতায় কাজ সেরে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস করে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ মহিলা আইনজীবী

উত্তরবঙ্গ: কলকাতায় কাজ সেরে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস করে বাড়ি ফিরছিলেন একজন মহিলা আইনজীবী। ট্রেনের মধ্যে থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। ওই মহিলা আইনজীবীর পরিবার এরপর রেল পুলিশ এবং পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানায়। জলপাইগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ এই বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করা হয় রেল পুলিশের সাথে। নিখোঁজ হওয়া আইনজীবীর নাম রিনা বাড়রী , বাড়ি জলপাইগুড়ি তরুণ ক্লাব সংলগ্ন এলাকায়।

এ ব্যাপারে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন রবিবার রাতে শিয়ালদা থেকে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন জলপাইগুড়ি আসবার জন্য। তার পরিবারের সদস্যদের সাথে তার শেষবার কথা হয়েছে রাত দশটা নাগাদ । এরপর থেকে অনেকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করার পরেও যোগাযোগ করতে পারেননি তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর সোমবার সকালে নির্দিষ্ট সময় উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছালো তিনি ট্রেনে ছিলেন না। স্লিপার ক্লাসে তার টিকিট ছিল ,বগি চার আসন ৩৩। এরপর পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন রীনা দেবীর পরিবার।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতায় কাজ সেরে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস করে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ মহিলা আইনজীবী

আপডেট : ১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার

উত্তরবঙ্গ: কলকাতায় কাজ সেরে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস করে বাড়ি ফিরছিলেন একজন মহিলা আইনজীবী। ট্রেনের মধ্যে থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। ওই মহিলা আইনজীবীর পরিবার এরপর রেল পুলিশ এবং পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানায়। জলপাইগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ এই বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করা হয় রেল পুলিশের সাথে। নিখোঁজ হওয়া আইনজীবীর নাম রিনা বাড়রী , বাড়ি জলপাইগুড়ি তরুণ ক্লাব সংলগ্ন এলাকায়।

এ ব্যাপারে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন রবিবার রাতে শিয়ালদা থেকে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন জলপাইগুড়ি আসবার জন্য। তার পরিবারের সদস্যদের সাথে তার শেষবার কথা হয়েছে রাত দশটা নাগাদ । এরপর থেকে অনেকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করার পরেও যোগাযোগ করতে পারেননি তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর সোমবার সকালে নির্দিষ্ট সময় উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছালো তিনি ট্রেনে ছিলেন না। স্লিপার ক্লাসে তার টিকিট ছিল ,বগি চার আসন ৩৩। এরপর পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন রীনা দেবীর পরিবার।