১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

তালিবান ক্ষমতায় আসার পর ফের কাবুলে বড়সড় বিস্ফোরণ

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: তালিবান ক্ষমতায় আসার পর ফের কাবুলে বড়সড় বিস্ফোরণ। এবার আফগান রাজধানীর ইদগাহ মসজিদের গেটের সামনে বোমা বিস্ফোরণে রবিবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। বিস্ফোরণে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা। অনেকের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে বলে তালিবান সূত্রে খবর।

জানা গিয়েছে, এদিন মসজিদে চলছিল তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের প্রয়াত মায়ের শ্রদ্ধায় প্রার্থনা চলছিল। সেই সময় জঙ্গিরা তালিবান নেতাদের টার্গেট করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। কত হতাহত তা নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পারেনি তালিবান। তবে আশঙ্কা বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এই বিস্ফোরণের এখনও পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি। এর আগে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর কাবুল এয়ারপোর্টের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে প্রায় ২০০ জনের মৃত্যু হয়। তার মধ্যে ১৩ জন মার্কিন সেনা ছিলেন। সেই সময় হামলার দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট খোরাসান। তালিবানের সঙ্গে এই মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠনের দীর্ঘদিনের সংঘাত।

খোরাসানরা আফগানিস্তানের নাঙ্গারহারের মতো পূর্ব প্রদেশে যথেষ্ট শক্তিশালী। তালিবান তাদের চিরশত্রু। এর আগেও তালিবানের উপর হামলা করেছে তারা। প্রদেশের রাজধানী জালালাবাদে আগেও অনেকবার হত্যালীলা চালিয়েছে খোরাসান। তবে এবার কাবুলে দ্বিতীয়বার হামলার ঘটনায় তালিবান কড়া চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তালিবান ক্ষমতায় আসার পর ফের কাবুলে বড়সড় বিস্ফোরণ

আপডেট : ৩ অক্টোবর ২০২১, রবিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: তালিবান ক্ষমতায় আসার পর ফের কাবুলে বড়সড় বিস্ফোরণ। এবার আফগান রাজধানীর ইদগাহ মসজিদের গেটের সামনে বোমা বিস্ফোরণে রবিবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। বিস্ফোরণে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা। অনেকের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে বলে তালিবান সূত্রে খবর।

জানা গিয়েছে, এদিন মসজিদে চলছিল তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের প্রয়াত মায়ের শ্রদ্ধায় প্রার্থনা চলছিল। সেই সময় জঙ্গিরা তালিবান নেতাদের টার্গেট করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। কত হতাহত তা নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পারেনি তালিবান। তবে আশঙ্কা বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এই বিস্ফোরণের এখনও পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি। এর আগে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর কাবুল এয়ারপোর্টের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে প্রায় ২০০ জনের মৃত্যু হয়। তার মধ্যে ১৩ জন মার্কিন সেনা ছিলেন। সেই সময় হামলার দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট খোরাসান। তালিবানের সঙ্গে এই মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠনের দীর্ঘদিনের সংঘাত।

খোরাসানরা আফগানিস্তানের নাঙ্গারহারের মতো পূর্ব প্রদেশে যথেষ্ট শক্তিশালী। তালিবান তাদের চিরশত্রু। এর আগেও তালিবানের উপর হামলা করেছে তারা। প্রদেশের রাজধানী জালালাবাদে আগেও অনেকবার হত্যালীলা চালিয়েছে খোরাসান। তবে এবার কাবুলে দ্বিতীয়বার হামলার ঘটনায় তালিবান কড়া চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।