১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

”হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে তো ওঁর নাম ছিল। উনি কত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত, তা দেখা হোক আগে।” রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে ‘দুর্নীতির আখড়া’ বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। CAG অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বললেন, ”উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক।” আর CAG দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, CAG অডিট প্রয়োজন নেই।

দীর্ঘদিন ধরে জিটিএ-তে কোনও নির্বাচন নেই, অডিট হয় না। তা দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। টাকা নয়ছয় করে পাহাড়ের উন্নয়ন ব্যাহত করা হয়েছে। এসব একাধিক অভিযোগ তুলে ৭ দিনের সফর শেষে সোমবারই পাহাড় ছেড়েছেন রাজ্যপাল। আর দুপুরে তা নিয়েই সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধনকড়ের অতীত টেনে এনে তাঁকে বিদ্ধ করলেন। কোথায় কোন কেলেঙ্কারির সঙ্গে ধনকড় জড়িত ছিল, তা বিশদে উল্লেখ করতে গিয়ে প্রায় নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ”হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে তো ওঁর নাম ছিল। উনি কত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত, তা দেখা হোক আগে। ওঁরই তদন্ত প্রয়োজন আগে। আমি এমন রাজ্যপাল দেখিনি আগে কখনও।”

এরপরই ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি।” রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।

 

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

”হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে তো ওঁর নাম ছিল। উনি কত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত, তা দেখা হোক আগে।” রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আপডেট : ২৮ জুন ২০২১, সোমবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে ‘দুর্নীতির আখড়া’ বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। CAG অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বললেন, ”উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক।” আর CAG দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, CAG অডিট প্রয়োজন নেই।

দীর্ঘদিন ধরে জিটিএ-তে কোনও নির্বাচন নেই, অডিট হয় না। তা দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। টাকা নয়ছয় করে পাহাড়ের উন্নয়ন ব্যাহত করা হয়েছে। এসব একাধিক অভিযোগ তুলে ৭ দিনের সফর শেষে সোমবারই পাহাড় ছেড়েছেন রাজ্যপাল। আর দুপুরে তা নিয়েই সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধনকড়ের অতীত টেনে এনে তাঁকে বিদ্ধ করলেন। কোথায় কোন কেলেঙ্কারির সঙ্গে ধনকড় জড়িত ছিল, তা বিশদে উল্লেখ করতে গিয়ে প্রায় নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ”হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে তো ওঁর নাম ছিল। উনি কত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত, তা দেখা হোক আগে। ওঁরই তদন্ত প্রয়োজন আগে। আমি এমন রাজ্যপাল দেখিনি আগে কখনও।”

এরপরই ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি।” রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।