২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

শিশু শ্রম বন্ধ করতে অভিযান বোলপুরে ডিএলএসএ ও চাইল্ড লাইনের

নিজস্ব সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্ব শিশু শ্রম বিরোধী দিবসে শিশু শ্রম বন্ধ করতে শহর জুড়ে অভিযান চালাল ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি ও চাইল্ড লাইন। ১২ জুন বিশ্ব শিশু শ্রম দিবস। এদিন ওই দুই সংস্হার তরফে বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থানার শ্রীনিকেতন, জামবুনী, ষ্টেশন রোড, শান্তিনিকেতন রোড, চৌরাস্তা সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলে। ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি ও চাইল্ড লাইনের প্রতিনিধি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, অথরিটির সচিব বিচারক দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই অভিযান চলে। শহরে এখন চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান, মোটর সাইকেল গ্যারেজ, কনষ্ট্রাকশন সাইট সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়। যেখানে যেখানে শিশু শ্রমাককে পাওয়া যায় তাদের জিঞ্জাসা বাদ করা হয়। শিশু শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা দোকানের মালিকদের সচেতন করা হয় তারা যাতে শিশুদের শ্রমিক হিসেবে কাজ না করায়। শ্রমিক হিসেবে কাজ করা শিশু ও নিয়োগকর্তাদের কাউন্সেলিং করা হয়। এটাযে আইনত অপরাধ তা বোঝানো হয়। শিশুদের পড়াশুনো করতে ও সরকারী সুযোগ সুবিধার কথাও বোঝানো হয়।

এখন কোরনা আবহে স্কুল বন্ধ থাকায় ও পরিবারের অভিভাবকদের কাজ সেরকম না থাকায় শিশুদের বিকল্প উপার্জনের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিবাবকরা তাদের শিশুদের কাজে নিয়োগ করছে বলে জানতে পেরেছে ঔই দুই সংস্হা। দোকান মালিকরা আর শিশুশ্রমিক কাজে লাগাবে না এই শর্তে মুচলেকাও দেন। একই অভিযান চলে সিউড়ী ও রামপুরহাট শহরেও।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিশু শ্রম বন্ধ করতে অভিযান বোলপুরে ডিএলএসএ ও চাইল্ড লাইনের

আপডেট : ১২ জুন ২০২১, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্ব শিশু শ্রম বিরোধী দিবসে শিশু শ্রম বন্ধ করতে শহর জুড়ে অভিযান চালাল ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি ও চাইল্ড লাইন। ১২ জুন বিশ্ব শিশু শ্রম দিবস। এদিন ওই দুই সংস্হার তরফে বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থানার শ্রীনিকেতন, জামবুনী, ষ্টেশন রোড, শান্তিনিকেতন রোড, চৌরাস্তা সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলে। ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি ও চাইল্ড লাইনের প্রতিনিধি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, অথরিটির সচিব বিচারক দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই অভিযান চলে। শহরে এখন চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান, মোটর সাইকেল গ্যারেজ, কনষ্ট্রাকশন সাইট সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়। যেখানে যেখানে শিশু শ্রমাককে পাওয়া যায় তাদের জিঞ্জাসা বাদ করা হয়। শিশু শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা দোকানের মালিকদের সচেতন করা হয় তারা যাতে শিশুদের শ্রমিক হিসেবে কাজ না করায়। শ্রমিক হিসেবে কাজ করা শিশু ও নিয়োগকর্তাদের কাউন্সেলিং করা হয়। এটাযে আইনত অপরাধ তা বোঝানো হয়। শিশুদের পড়াশুনো করতে ও সরকারী সুযোগ সুবিধার কথাও বোঝানো হয়।

এখন কোরনা আবহে স্কুল বন্ধ থাকায় ও পরিবারের অভিভাবকদের কাজ সেরকম না থাকায় শিশুদের বিকল্প উপার্জনের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিবাবকরা তাদের শিশুদের কাজে নিয়োগ করছে বলে জানতে পেরেছে ঔই দুই সংস্হা। দোকান মালিকরা আর শিশুশ্রমিক কাজে লাগাবে না এই শর্তে মুচলেকাও দেন। একই অভিযান চলে সিউড়ী ও রামপুরহাট শহরেও।