২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নিজেদের দশম বিবাহ বার্ষিকীতে অন‍্য ১০ জোড়া দম্পতিকে নতুন পোশাক উপহার দিলেন পাল দম্পতি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: একটু অন‍্যভাবে নিজেদের দশম বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করলেন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২ নং ব্লকের জুনশোলা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রেলওয়ে কর্মচারী বিশ্বজিৎ পাল ও তার স্ত্রী গৃহবধূ রূপশ্রী পাল। দশম বিবাহ বার্ষিকী নিজেদের আত্মীয় বন্ধু বান্ধবের সাথে নিয়ে একটু ধূমধাম সহকারে করা ইচ্ছা ছিল বিশ্বজিৎ পাল বাবুদের। পাশাপাশি লক্ষ্য ছিল বিবাহ বার্ষিকীরদিন সমাজের জন্য কিছু করা। কিন্তু বাধ সাধলো করোনা তাই বাড়িতে ছোট অনুষ্ঠান করে গুরুজনের আশীর্বাদ নিয়েছেন পাল দম্পতি। কিন্তু করোনা তাঁদের সমাজসেবা মূলক কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। নিজেদের বিবাহ বার্ষিকী আনন্দ শনিবার আরও দেশজোড়া আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা দশ জোড়া দম্পতির সাথে ভাগ করে নিলেন বিশ্বজিৎ বাবুরা। এদিন তাঁরা পাশাপাশি এলাকার দশ জোড়া দম্পতির হাতে নতুন পোশাক উপহার হিসেবে তুলে দিলেন।

 

নিজেদের ছেলে-বৌমার এই কাজে খুশি বিশ্বজিৎ বাবুর বাবা অমৃত পাল ও মা অঞ্জলী পাল। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে নিজের ছেলে রিদমের জন্মদিনেও ডেবরার একটি প্রতিবন্ধী স্কুলের বাচ্চাদের নতুন পোশাক উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছিলেন জনপ্রিয় সমাজমধ‍্যম গ্রুপ আমারকার ভাষা আমারকার গর্ব-এর অন‍্যতম পরিচালক বিশ্বজিৎ পাল।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিজেদের দশম বিবাহ বার্ষিকীতে অন‍্য ১০ জোড়া দম্পতিকে নতুন পোশাক উপহার দিলেন পাল দম্পতি

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: একটু অন‍্যভাবে নিজেদের দশম বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করলেন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২ নং ব্লকের জুনশোলা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রেলওয়ে কর্মচারী বিশ্বজিৎ পাল ও তার স্ত্রী গৃহবধূ রূপশ্রী পাল। দশম বিবাহ বার্ষিকী নিজেদের আত্মীয় বন্ধু বান্ধবের সাথে নিয়ে একটু ধূমধাম সহকারে করা ইচ্ছা ছিল বিশ্বজিৎ পাল বাবুদের। পাশাপাশি লক্ষ্য ছিল বিবাহ বার্ষিকীরদিন সমাজের জন্য কিছু করা। কিন্তু বাধ সাধলো করোনা তাই বাড়িতে ছোট অনুষ্ঠান করে গুরুজনের আশীর্বাদ নিয়েছেন পাল দম্পতি। কিন্তু করোনা তাঁদের সমাজসেবা মূলক কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। নিজেদের বিবাহ বার্ষিকী আনন্দ শনিবার আরও দেশজোড়া আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা দশ জোড়া দম্পতির সাথে ভাগ করে নিলেন বিশ্বজিৎ বাবুরা। এদিন তাঁরা পাশাপাশি এলাকার দশ জোড়া দম্পতির হাতে নতুন পোশাক উপহার হিসেবে তুলে দিলেন।

 

নিজেদের ছেলে-বৌমার এই কাজে খুশি বিশ্বজিৎ বাবুর বাবা অমৃত পাল ও মা অঞ্জলী পাল। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে নিজের ছেলে রিদমের জন্মদিনেও ডেবরার একটি প্রতিবন্ধী স্কুলের বাচ্চাদের নতুন পোশাক উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছিলেন জনপ্রিয় সমাজমধ‍্যম গ্রুপ আমারকার ভাষা আমারকার গর্ব-এর অন‍্যতম পরিচালক বিশ্বজিৎ পাল।