০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যায় দিন গুনছেন অসহায় মালদার দিনমজুর দীনেশ সরকার।

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক : মালদা জেলার বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভিরা এলাকার বাসিন্দা দীনেশ সরকারের পরিবারে নেমে এসেছে সংকটের ছায়া। স্ত্রী এবং নাবালক তিন ছেলেমেয়েকে নিয়েই দীনেশ বাবুর পরিবার। কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে এখন বাড়িতে শয্যাশায়ী ভাঙ্গন দুর্গত এলাকার বাসিন্দা দীনেশ সরকার । অসুস্থতার কারণে দিনমজুরের কাজটুকু চলে গিয়েছে । তাই সরকারের সহযোগিতা দিকেই মুখ চেয়ে রয়েছে গোটা পরিবার।

 

দীনেশবাবুর নাবালক দুই ছেলে বয়স ( ১২) ও (১৪) মেয়ের বয়স(১০)। বাড়ির গৃহকর্তা দীনেশ সরকার অসুস্থ থাকার কারণে পরিবারের উপার্জন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মুখের দিকে তাকিয়ে সরকার এবং প্রশাসনের কাছে পরিবারকে বাঁচানোর আরজি করেছে অসহায় ওই সরকার পরিবার।

 

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে হঠাৎ করে অসুস্থ হওয়ার পরে দীনেশবাবু প্রথমে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান। প্রায় সপ্তাহখানেক ভর্তি থেকে চিকিৎসা করান। মাথার যন্ত্রণার কারণে  সিটি স্ক্যান করান তিনি।  রিপোর্টে জানতে পারেন তার ব্রেন টিউমার হয়েছে। তড়িঘড়ি তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে  কলকাতায় পাঠানো হয়।

 

কিন্তু  কোলকাতায় গিয়েও পরতে হয় সমস্যার মুখে। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন দীনেশবাবুর শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। সেখান থেকে যেতে হয় কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। তবে স্বস্তির বিষয় করোনাকে জয় করে বাড়ী ফিরে আসেন দীনেশবাবু । তবে তার সাথে সাথে ফিরে আসে পুরোনা সেই সমস্যা, তার ব্রেন টিউমার।

 

ব্রেন টিউমার থেকে সুস্থ হতে দরকার টাকা, আর টাকা জোগাড় করাটাই এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দীনেশবাবু পরিবারের।

 

দীনেশ বাবুর স্ত্রী বলেন, তবে পরিবারে অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরা এখন নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা। তাদেরও সাহায্য করার মতো কিছু নেই। দীনেশ বাবু নিজের থাকা কিছু বলতে ভিটামাটি ছাড়া সে ভবে কিছু নেই। মেলেনি কোন সরকারি সাহায্য। তাই এখন চিকিৎসা জন্য তাকিয়ে রয়েছে সরকারি সাহায্যের দিকে।

দক্ষিণ মেমারি খাঁড়ো যুবক সংঘের উদ্যোগে  বিধায়ক মানব গুহ’কে সংবর্ধনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যায় দিন গুনছেন অসহায় মালদার দিনমজুর দীনেশ সরকার।

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক : মালদা জেলার বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভিরা এলাকার বাসিন্দা দীনেশ সরকারের পরিবারে নেমে এসেছে সংকটের ছায়া। স্ত্রী এবং নাবালক তিন ছেলেমেয়েকে নিয়েই দীনেশ বাবুর পরিবার। কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে এখন বাড়িতে শয্যাশায়ী ভাঙ্গন দুর্গত এলাকার বাসিন্দা দীনেশ সরকার । অসুস্থতার কারণে দিনমজুরের কাজটুকু চলে গিয়েছে । তাই সরকারের সহযোগিতা দিকেই মুখ চেয়ে রয়েছে গোটা পরিবার।

 

দীনেশবাবুর নাবালক দুই ছেলে বয়স ( ১২) ও (১৪) মেয়ের বয়স(১০)। বাড়ির গৃহকর্তা দীনেশ সরকার অসুস্থ থাকার কারণে পরিবারের উপার্জন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মুখের দিকে তাকিয়ে সরকার এবং প্রশাসনের কাছে পরিবারকে বাঁচানোর আরজি করেছে অসহায় ওই সরকার পরিবার।

 

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে হঠাৎ করে অসুস্থ হওয়ার পরে দীনেশবাবু প্রথমে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান। প্রায় সপ্তাহখানেক ভর্তি থেকে চিকিৎসা করান। মাথার যন্ত্রণার কারণে  সিটি স্ক্যান করান তিনি।  রিপোর্টে জানতে পারেন তার ব্রেন টিউমার হয়েছে। তড়িঘড়ি তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে  কলকাতায় পাঠানো হয়।

 

কিন্তু  কোলকাতায় গিয়েও পরতে হয় সমস্যার মুখে। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন দীনেশবাবুর শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। সেখান থেকে যেতে হয় কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। তবে স্বস্তির বিষয় করোনাকে জয় করে বাড়ী ফিরে আসেন দীনেশবাবু । তবে তার সাথে সাথে ফিরে আসে পুরোনা সেই সমস্যা, তার ব্রেন টিউমার।

 

ব্রেন টিউমার থেকে সুস্থ হতে দরকার টাকা, আর টাকা জোগাড় করাটাই এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দীনেশবাবু পরিবারের।

 

দীনেশ বাবুর স্ত্রী বলেন, তবে পরিবারে অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরা এখন নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা। তাদেরও সাহায্য করার মতো কিছু নেই। দীনেশ বাবু নিজের থাকা কিছু বলতে ভিটামাটি ছাড়া সে ভবে কিছু নেই। মেলেনি কোন সরকারি সাহায্য। তাই এখন চিকিৎসা জন্য তাকিয়ে রয়েছে সরকারি সাহায্যের দিকে।