০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গঙ্গার ভাঙনে তলিয়ে গেল মুর্শিদাবাদের ধানঘরার ভিটেমাটি

মোঃ ইজাজ আহামেদ ও মহ: মুস্তফা শেখ : বর্ষা কন্যার আগমনে গঙ্গা যৌবন ফিরে পেয়েছে। উথলে পড়ছে তার ঢেউ, নিয়মিত হুঙ্কার দিচ্ছে। তীরবর্তী অধিবাসীরা বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ জেলার অধিবাসীরা দিন গুনছে পাড় ভাঙার আতঙ্কে। এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা । বর্ষা আসলেই এই এলাকার মানুষজনকে দুঃখ স্বপ্ন গ্রাস করে। প্রত্যেক বছরের ন্যায় এই বছরও বর্ষার কবলে পড়ে গঙ্গার ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সামসেরগঞ্জের ধানঘরায় নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙতে শুরু করেছে। রাত থেকে শুরু করে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ব্যাপক হারে ভাঙন দেখা গেল। কয়েকটি বাগান ইতিমধ্যে নদীতে তলিয়ে গেছে। এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে, সকলের চোখে- মুখে আতঙ্কের ছাপ। নদী তীরবর্তী ওই গ্রামের বাসিন্দারা বাড়িঘর খালি করে ভাঙতে শুরু করেছে। এলাকাবাসী এক ভয়ংকর আতঙ্কে প্রহর গুনছে। এলাকাবাসী কোথায় যাবে, কোথায় ঠায় পাবে, কবে আবার বাড়িঘর করতে পারবে তা ভেবে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ওই গ্রামের অসহায় মানুষজনের কপালে। পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে লোকজন ভিড় জমিয়েছে এলাকাবাসীদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনতে। প্রশাসন এসে ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি ঘর খালি করতে নির্দেশ দিয়েছে এবং ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

দক্ষিণ মেমারি খাঁড়ো যুবক সংঘের উদ্যোগে  বিধায়ক মানব গুহ’কে সংবর্ধনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গঙ্গার ভাঙনে তলিয়ে গেল মুর্শিদাবাদের ধানঘরার ভিটেমাটি

আপডেট : ২৪ অগাস্ট ২০২০, সোমবার

মোঃ ইজাজ আহামেদ ও মহ: মুস্তফা শেখ : বর্ষা কন্যার আগমনে গঙ্গা যৌবন ফিরে পেয়েছে। উথলে পড়ছে তার ঢেউ, নিয়মিত হুঙ্কার দিচ্ছে। তীরবর্তী অধিবাসীরা বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ জেলার অধিবাসীরা দিন গুনছে পাড় ভাঙার আতঙ্কে। এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা । বর্ষা আসলেই এই এলাকার মানুষজনকে দুঃখ স্বপ্ন গ্রাস করে। প্রত্যেক বছরের ন্যায় এই বছরও বর্ষার কবলে পড়ে গঙ্গার ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সামসেরগঞ্জের ধানঘরায় নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙতে শুরু করেছে। রাত থেকে শুরু করে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ব্যাপক হারে ভাঙন দেখা গেল। কয়েকটি বাগান ইতিমধ্যে নদীতে তলিয়ে গেছে। এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে, সকলের চোখে- মুখে আতঙ্কের ছাপ। নদী তীরবর্তী ওই গ্রামের বাসিন্দারা বাড়িঘর খালি করে ভাঙতে শুরু করেছে। এলাকাবাসী এক ভয়ংকর আতঙ্কে প্রহর গুনছে। এলাকাবাসী কোথায় যাবে, কোথায় ঠায় পাবে, কবে আবার বাড়িঘর করতে পারবে তা ভেবে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ওই গ্রামের অসহায় মানুষজনের কপালে। পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে লোকজন ভিড় জমিয়েছে এলাকাবাসীদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনতে। প্রশাসন এসে ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি ঘর খালি করতে নির্দেশ দিয়েছে এবং ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।