১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পনের দাবিতে অত্যাচার, সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল গৃহবধূ

 

অতনু ঘোষ,নতুন গতি, পূর্ব বর্ধমান :আর পাঁচটা মেয়ের মতোই স্বামী সংসার নিয়ে সুখে ঘর করার ইচ্ছা ছিল তার | কিন্তু মাত্র একুশেই ঝরে গেল
একটি ফুটফুটে জীবন |
কালনার নন্দগ্রাম এলাকার মেয়ে বছর একুশের মাম্পি হালদারের বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয় কৃষ্ণদেবপুর রাজবংশী পাড়া নবদ্দীপ হালদারের সাথে |
বিয়ের ছমাস যেতে না যেতেই মাম্পির জীবনে নেমে আসে কালো অন্ধকার | স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার ওপর |
প্রথমদিকে শ্বশুরবাড়ির দাবি মতো জিনিসপত্র দিলেও | ক্রমশ তাদের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে | কিন্তু শেষের দিকে চাহিদার মাত্রা এতই বেড়ে যায় যে, তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না মাম্পির পরিবারের | ফলে মাম্পির উপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার | এরপর মাম্পিকে বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয় বাপের বাড়ি
| শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষমেষ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মাম্পি, এমনটাই দাবি করেছেন তার পরিবার | তবে মৃত্যুর আগে মাম্পি তার শেষ কথা গুলো লিখে রেখে গেছে এক টুকরো কাগজে |
খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে তদন্ত করছে |
শ্বশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার বাবা |
তবে এই ঘটনার পর থেকে টুম্পার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে |
আকস্মিক ঘটনা এলাকার মানুষ শোকোস্তব্ধ তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন ||

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পনের দাবিতে অত্যাচার, সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল গৃহবধূ

আপডেট : ২৩ অগাস্ট ২০২০, রবিবার

 

অতনু ঘোষ,নতুন গতি, পূর্ব বর্ধমান :আর পাঁচটা মেয়ের মতোই স্বামী সংসার নিয়ে সুখে ঘর করার ইচ্ছা ছিল তার | কিন্তু মাত্র একুশেই ঝরে গেল
একটি ফুটফুটে জীবন |
কালনার নন্দগ্রাম এলাকার মেয়ে বছর একুশের মাম্পি হালদারের বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয় কৃষ্ণদেবপুর রাজবংশী পাড়া নবদ্দীপ হালদারের সাথে |
বিয়ের ছমাস যেতে না যেতেই মাম্পির জীবনে নেমে আসে কালো অন্ধকার | স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার ওপর |
প্রথমদিকে শ্বশুরবাড়ির দাবি মতো জিনিসপত্র দিলেও | ক্রমশ তাদের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে | কিন্তু শেষের দিকে চাহিদার মাত্রা এতই বেড়ে যায় যে, তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না মাম্পির পরিবারের | ফলে মাম্পির উপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার | এরপর মাম্পিকে বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয় বাপের বাড়ি
| শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষমেষ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মাম্পি, এমনটাই দাবি করেছেন তার পরিবার | তবে মৃত্যুর আগে মাম্পি তার শেষ কথা গুলো লিখে রেখে গেছে এক টুকরো কাগজে |
খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে তদন্ত করছে |
শ্বশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার বাবা |
তবে এই ঘটনার পর থেকে টুম্পার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে |
আকস্মিক ঘটনা এলাকার মানুষ শোকোস্তব্ধ তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন ||