১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

পনের দাবিতে অত্যাচার, সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল গৃহবধূ

 

অতনু ঘোষ,নতুন গতি, পূর্ব বর্ধমান :আর পাঁচটা মেয়ের মতোই স্বামী সংসার নিয়ে সুখে ঘর করার ইচ্ছা ছিল তার | কিন্তু মাত্র একুশেই ঝরে গেল
একটি ফুটফুটে জীবন |
কালনার নন্দগ্রাম এলাকার মেয়ে বছর একুশের মাম্পি হালদারের বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয় কৃষ্ণদেবপুর রাজবংশী পাড়া নবদ্দীপ হালদারের সাথে |
বিয়ের ছমাস যেতে না যেতেই মাম্পির জীবনে নেমে আসে কালো অন্ধকার | স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার ওপর |
প্রথমদিকে শ্বশুরবাড়ির দাবি মতো জিনিসপত্র দিলেও | ক্রমশ তাদের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে | কিন্তু শেষের দিকে চাহিদার মাত্রা এতই বেড়ে যায় যে, তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না মাম্পির পরিবারের | ফলে মাম্পির উপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার | এরপর মাম্পিকে বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয় বাপের বাড়ি
| শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষমেষ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মাম্পি, এমনটাই দাবি করেছেন তার পরিবার | তবে মৃত্যুর আগে মাম্পি তার শেষ কথা গুলো লিখে রেখে গেছে এক টুকরো কাগজে |
খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে তদন্ত করছে |
শ্বশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার বাবা |
তবে এই ঘটনার পর থেকে টুম্পার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে |
আকস্মিক ঘটনা এলাকার মানুষ শোকোস্তব্ধ তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন ||

সর্বাধিক পাঠিত

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ৪ জনের ডাকাত দলকে গ্রেফতার করল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ হরিশ্চন্দ্রপুর,৮ ডিসেম্বর: ডাকাতির আগেই পুলিশের হাতে ধৃত ৪ দুষ্কৃতী।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হরিশ্চন্দ্ররপুর থানার ভিঙ্গল জিপির বটতলা এলাকা থেকে হানা দিয়ে ৪ জনের এক ডাকাত দলকে গ্রেফতার করল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে চাচোল গামি ৮১ নং জাতীয় সড়কের ধারে ইটভাটার নিকটে বটতলায় বড়োসড়ো ডাকাতির উদ্দেশ্যে তারা জড়ো হচ্ছিল।সেই সময় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে এবং বেশ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ধৃতদের কাছ থেকে একটি তরবারি(৩১ ইঞ্চি), শাবল ও টর্চলাইট উদ্ধার হয়েছে। প্রত্যেকের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বিভিন্ন এলাকায়। ধৃতদের নাম নুর আলম (২১),জানারুল হক (২১), নাসিম আক্তার (২০) ও মহম্মদ শরীফ (৩৬)। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নুর আলম ও জানারুল হকের বাড়ি কড়িয়ালি এলাকার সোনারপুর গ্রামে, নাসিম আক্তারের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের নিউ সাদলীচক এলাকায় ও মহম্মদ শরীফের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের হলদিবাড়ি এলাকায়। রবিবার ৪ জনকে চাচল মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়।পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পনের দাবিতে অত্যাচার, সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল গৃহবধূ

আপডেট : ২৩ অগাস্ট ২০২০, রবিবার

 

অতনু ঘোষ,নতুন গতি, পূর্ব বর্ধমান :আর পাঁচটা মেয়ের মতোই স্বামী সংসার নিয়ে সুখে ঘর করার ইচ্ছা ছিল তার | কিন্তু মাত্র একুশেই ঝরে গেল
একটি ফুটফুটে জীবন |
কালনার নন্দগ্রাম এলাকার মেয়ে বছর একুশের মাম্পি হালদারের বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয় কৃষ্ণদেবপুর রাজবংশী পাড়া নবদ্দীপ হালদারের সাথে |
বিয়ের ছমাস যেতে না যেতেই মাম্পির জীবনে নেমে আসে কালো অন্ধকার | স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার ওপর |
প্রথমদিকে শ্বশুরবাড়ির দাবি মতো জিনিসপত্র দিলেও | ক্রমশ তাদের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে | কিন্তু শেষের দিকে চাহিদার মাত্রা এতই বেড়ে যায় যে, তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না মাম্পির পরিবারের | ফলে মাম্পির উপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার | এরপর মাম্পিকে বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয় বাপের বাড়ি
| শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষমেষ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মাম্পি, এমনটাই দাবি করেছেন তার পরিবার | তবে মৃত্যুর আগে মাম্পি তার শেষ কথা গুলো লিখে রেখে গেছে এক টুকরো কাগজে |
খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে তদন্ত করছে |
শ্বশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার বাবা |
তবে এই ঘটনার পর থেকে টুম্পার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে |
আকস্মিক ঘটনা এলাকার মানুষ শোকোস্তব্ধ তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন ||