৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

নাবালিকা ধর্ষণে কুড়ি বছরের সাজা পেল কুলতলির নলগোঁড়ার সোনাটিকারীর বাসিন্দা

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :
২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কুলতলি থানায় নলগোঁড়া অঞ্চলের সোনাটিকারী গ্রামের নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ আসে।
কুলতলি থানার পুলিশ রফিক সরদারের নামে FIR হওয়ায় কুলতলি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আসামি রফিক সরদারকে গ্রেফতার করে কুলতলি থানার পুলিশ। বারুইপুর কোর্টে যথা সময়ে চার্জসিট জমা করে। আসামি জেলে থাকা অবস্থায় বিচার শুরু হয় ।

গত ১০\০৩\২০২২ তারিখে বারুইপুর কোর্ট আসামি রফিক সরদারকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ কুড়ি বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। মহামান্য আদালতের এমনি অভূতপূর্ব রায়ে নাবালিকার পরিবার বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আসামিকে গ্রেফতারের সাথে সাথে বিচার শুরু হওয়ায় নজির স্থাপন হয়েছে এমনি মন্তব্য করেছেন। কয়েক দিন আগে কয়েদি রফিক সরদার প্যারোলে তার বাড়ি আসে অসুস্থ ঠাকুর মাকে দেখার জন্য। প্যারোল শেষে সংশোধনাগারে চলে যায়। আসামির এমনি সাজায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বেজায় খুশি। এলাকার মানুষজন বিচার ব্যবস্থা ও কুলতলি থানার পুলিশের উপর পূর্ণ আস্থা রাখে।

রেজিনগরের মিটিং থেকে হুমায়ূন কবীরের উস্কানিমূলক বক্তৃতায় উদ্বিগ্ন নাগরিক মহল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নাবালিকা ধর্ষণে কুড়ি বছরের সাজা পেল কুলতলির নলগোঁড়ার সোনাটিকারীর বাসিন্দা

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :
২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কুলতলি থানায় নলগোঁড়া অঞ্চলের সোনাটিকারী গ্রামের নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ আসে।
কুলতলি থানার পুলিশ রফিক সরদারের নামে FIR হওয়ায় কুলতলি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আসামি রফিক সরদারকে গ্রেফতার করে কুলতলি থানার পুলিশ। বারুইপুর কোর্টে যথা সময়ে চার্জসিট জমা করে। আসামি জেলে থাকা অবস্থায় বিচার শুরু হয় ।

গত ১০\০৩\২০২২ তারিখে বারুইপুর কোর্ট আসামি রফিক সরদারকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ কুড়ি বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। মহামান্য আদালতের এমনি অভূতপূর্ব রায়ে নাবালিকার পরিবার বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আসামিকে গ্রেফতারের সাথে সাথে বিচার শুরু হওয়ায় নজির স্থাপন হয়েছে এমনি মন্তব্য করেছেন। কয়েক দিন আগে কয়েদি রফিক সরদার প্যারোলে তার বাড়ি আসে অসুস্থ ঠাকুর মাকে দেখার জন্য। প্যারোল শেষে সংশোধনাগারে চলে যায়। আসামির এমনি সাজায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বেজায় খুশি। এলাকার মানুষজন বিচার ব্যবস্থা ও কুলতলি থানার পুলিশের উপর পূর্ণ আস্থা রাখে।