৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচির সেনা দপ্তর

নিউজ ডেস্ক: আবার আত্মঘাতী বিস্ফোরণ পাকিস্তানে। করাচির সিন্ধ রেঞ্জার্সের হেডকোয়ার্টারে সামনে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃতদের মধ্যে তিনজন সিন্ধ রেঞ্জার্সের জওয়ান। হেডকোয়ার্টারের ঠিক মেন গেটে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদমাধ্যমে দাবি, আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এরপর লাগাতার গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনার জেরে পাকিস্তানজুড়ে হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পাকিস্তান সেনা।তবে এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা যুক্ত তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, জামাত-উল-আহরার নামে একটি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

তাদের দাবি, সংগঠনের বেশ কয়েকজন সদস্য এই আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় যুক্ত ছিল। জানা গিয়েছে, প্রথমেই সিন্ধ রেঞ্জার্সের হেডকোয়ার্টারে সামনে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পরপর বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় ওই এলাকায়। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। শুরু হয়ে যায় ছোটাছুটি। যে জায়গায় বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুলিস্তান-ই-জওহর নামে ওই রাস্তা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। পাশাপাশি, রাস্তাটি চলে গিয়েছে সোজা পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তরের দিকেও। খুবই জনবহুল এবং ব্যস্ত এলাকা। আর সেই রাস্তাকেই নিশানা করা হয়।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচির সেনা দপ্তর

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্ক: আবার আত্মঘাতী বিস্ফোরণ পাকিস্তানে। করাচির সিন্ধ রেঞ্জার্সের হেডকোয়ার্টারে সামনে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃতদের মধ্যে তিনজন সিন্ধ রেঞ্জার্সের জওয়ান। হেডকোয়ার্টারের ঠিক মেন গেটে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদমাধ্যমে দাবি, আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এরপর লাগাতার গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনার জেরে পাকিস্তানজুড়ে হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পাকিস্তান সেনা।তবে এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা যুক্ত তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, জামাত-উল-আহরার নামে একটি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

তাদের দাবি, সংগঠনের বেশ কয়েকজন সদস্য এই আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় যুক্ত ছিল। জানা গিয়েছে, প্রথমেই সিন্ধ রেঞ্জার্সের হেডকোয়ার্টারে সামনে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পরপর বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় ওই এলাকায়। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। শুরু হয়ে যায় ছোটাছুটি। যে জায়গায় বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুলিস্তান-ই-জওহর নামে ওই রাস্তা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। পাশাপাশি, রাস্তাটি চলে গিয়েছে সোজা পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তরের দিকেও। খুবই জনবহুল এবং ব্যস্ত এলাকা। আর সেই রাস্তাকেই নিশানা করা হয়।