৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর

নিউজ ডেস্ক: জঙ্গল ঢুঁড়তেই বেরিয়ে এলো আস্ত এক শহর! তাও আবার এমন এক শহর, যা লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে গিয়েছিল আজ থেকে ১০০০ বছর আগে। হলিউডি সিনেমার গল্প নয়, দিনের আলোর মতো জ্বলজ্বলে সত্যি। কারা সেই শহরের আদি বাসিন্দা? কেনই বা তা একদিন থেকে জনশূন্য হয়ে গেল? দক্ষিণ মেক্সিকোর ক্যাম্পাচে রাজ্যের কালাকমুল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের (Calakmul Biosphere Reserve)— এ এক এমন দুর্গম জঙ্গল, যেখানে দিনের আলোতেও প্রবেশ করতে ভয় পায় মানুষেরা। রয়েছে নানা জংলি পশুর বাস। এখানেই খোঁজ মিলেছে এক প্রাচীন অক্ষত শহরের, যা বিশেষজ্ঞদের মতে মায়া সভ্যতার অংশ। শহরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিনানবে’ (Minanbe)। ইউকাতেক মায়া (Yucatec Maya) ভাষায় এই শব্দের অর্থ ‘সেখানে কোনও রাস্তা নেই’। অত্যন্ত দুর্গম ও যাতায়াতের কোনও পথ না থাকায় এই নামকরণ করা হয়েছে।

এখানে প্রায় ৪৩ ফুট উঁচু একটি পিরামিড মন্দির পাওয়া গেছে, যা দেখতে চারতলা আবাসিক ভবনের সমান। এছাড়া ১৪টি খোদাই করা বেদি ও স্তম্ভ রয়েছে। আবিষ্কৃত পিরামিড মন্দিরটিতে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মায়া স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্যবাহী ‘রিও বেক’ শৈলীর ছাপ রয়েছে। আকাশ থেকে নেওয়া লিডার (LiDAR) স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে, শহরটি প্রায় ১৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। আন্দাজ করা যায়, এক কালে সুপরিকল্পিত নগর, চত্বর, রাজকীয় ও ধর্মীয় ভবন, বারান্দা এবং জলাভূমি ও কৃত্রিম খালের ব্যবস্থাপনা ছিল।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্ক: জঙ্গল ঢুঁড়তেই বেরিয়ে এলো আস্ত এক শহর! তাও আবার এমন এক শহর, যা লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে গিয়েছিল আজ থেকে ১০০০ বছর আগে। হলিউডি সিনেমার গল্প নয়, দিনের আলোর মতো জ্বলজ্বলে সত্যি। কারা সেই শহরের আদি বাসিন্দা? কেনই বা তা একদিন থেকে জনশূন্য হয়ে গেল? দক্ষিণ মেক্সিকোর ক্যাম্পাচে রাজ্যের কালাকমুল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের (Calakmul Biosphere Reserve)— এ এক এমন দুর্গম জঙ্গল, যেখানে দিনের আলোতেও প্রবেশ করতে ভয় পায় মানুষেরা। রয়েছে নানা জংলি পশুর বাস। এখানেই খোঁজ মিলেছে এক প্রাচীন অক্ষত শহরের, যা বিশেষজ্ঞদের মতে মায়া সভ্যতার অংশ। শহরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিনানবে’ (Minanbe)। ইউকাতেক মায়া (Yucatec Maya) ভাষায় এই শব্দের অর্থ ‘সেখানে কোনও রাস্তা নেই’। অত্যন্ত দুর্গম ও যাতায়াতের কোনও পথ না থাকায় এই নামকরণ করা হয়েছে।

এখানে প্রায় ৪৩ ফুট উঁচু একটি পিরামিড মন্দির পাওয়া গেছে, যা দেখতে চারতলা আবাসিক ভবনের সমান। এছাড়া ১৪টি খোদাই করা বেদি ও স্তম্ভ রয়েছে। আবিষ্কৃত পিরামিড মন্দিরটিতে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মায়া স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্যবাহী ‘রিও বেক’ শৈলীর ছাপ রয়েছে। আকাশ থেকে নেওয়া লিডার (LiDAR) স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে, শহরটি প্রায় ১৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। আন্দাজ করা যায়, এক কালে সুপরিকল্পিত নগর, চত্বর, রাজকীয় ও ধর্মীয় ভবন, বারান্দা এবং জলাভূমি ও কৃত্রিম খালের ব্যবস্থাপনা ছিল।