২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

করোনা আবহে পুষ্টিগুনের কথা শুনিয়ে চাঁচলে নারিকেলের শাঁশ বিক্রি করছেন সাজিরুদ্দিন

উজির আলী, নতুন গতি, মালদা: করোনা আবহে শাঁসযুক্ত নারিকেলের বিক্রি রমরমা মালদহের চাঁচলে। করোনা আবহে নারিকেলের শাঁশের পুষ্টিগুনের কথা মাথায় রেখে চলছে অত‍্যাধিক বিক্রি। চাঁচল ১ নং ব্লক এলাকার মতিহারপুর জিপির ডাব বিক্রেতা সাজিরুদ্দিন কে ধরা তিনি জানান, ১৬ বছর ধরে ডাব বিক্রির পেশায় যুক্ত। তবে যতদিন ধরে করোনার সূত্রপাত ততদিন থেকে বেশী বিক্রি হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ২০০ টি শাঁশযুক্ত নারিকেল বিক্রি হচ্ছে তিনি জানিয়েছেন। গ্রাহকদের সুবিধার্থে দা দিয়ে ফাটিয়ে খোসা উপড়ে বের করে দেওয়া হচ্ছে শাঁশ। এমন সুযোগ হাতছাড়া করেছেন না অনেকেই। সাজিরুদ্দিন জানান, একটি নারিকেল ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। রোজ ৫০০ টাকা উপার্জন হচ্ছেই তার।

কখনও চাঁচল হাসপাতাল,দিশারী, নির্নয় বেশীরভাগ সময়টা চিকিৎসার স্হানে কাটান তিনি। তবে এদিন রবিবার শহরে মানুষ না থাকায় ভ‍্যান নিয়ে তিনি বেড়িয়ে পড়েন গ্রাম-গঞ্চের উদ‍‍্যেশ‍্যে। তিনি বলেন, ডাবের শাঁসের পুষ্টিগুন অনেক বেশী। পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, ক‍্যালোরি ও ফ‍্যাট যুক্ত এই শাঁশ।
এছাড়াও ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি তো রয়েছেই। আছে ক‍্যালসিয়াম ও আয়রন। স্বভাবতই পুষ্টিযুক্ত রয়েছে নারিকেলের শাঁশে দাবী বিক্রেতা সাজিরুদ্দিনের। তিনি আরোও জানান, এই শাঁস খেলে হার্ট ভালো রাখে, দেহে শক্তি জোগায়, চুল ভালো রাখে। বিভিন্ন রকমের উপকারিতা রয়েছে এই নারিকেলের শাঁশে তাই খদ্দেরের অভাব হয়না বলে জানিয়েছেন তিনি।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

করোনা আবহে পুষ্টিগুনের কথা শুনিয়ে চাঁচলে নারিকেলের শাঁশ বিক্রি করছেন সাজিরুদ্দিন

আপডেট : ১৬ অগাস্ট ২০২০, রবিবার

উজির আলী, নতুন গতি, মালদা: করোনা আবহে শাঁসযুক্ত নারিকেলের বিক্রি রমরমা মালদহের চাঁচলে। করোনা আবহে নারিকেলের শাঁশের পুষ্টিগুনের কথা মাথায় রেখে চলছে অত‍্যাধিক বিক্রি। চাঁচল ১ নং ব্লক এলাকার মতিহারপুর জিপির ডাব বিক্রেতা সাজিরুদ্দিন কে ধরা তিনি জানান, ১৬ বছর ধরে ডাব বিক্রির পেশায় যুক্ত। তবে যতদিন ধরে করোনার সূত্রপাত ততদিন থেকে বেশী বিক্রি হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ২০০ টি শাঁশযুক্ত নারিকেল বিক্রি হচ্ছে তিনি জানিয়েছেন। গ্রাহকদের সুবিধার্থে দা দিয়ে ফাটিয়ে খোসা উপড়ে বের করে দেওয়া হচ্ছে শাঁশ। এমন সুযোগ হাতছাড়া করেছেন না অনেকেই। সাজিরুদ্দিন জানান, একটি নারিকেল ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। রোজ ৫০০ টাকা উপার্জন হচ্ছেই তার।

কখনও চাঁচল হাসপাতাল,দিশারী, নির্নয় বেশীরভাগ সময়টা চিকিৎসার স্হানে কাটান তিনি। তবে এদিন রবিবার শহরে মানুষ না থাকায় ভ‍্যান নিয়ে তিনি বেড়িয়ে পড়েন গ্রাম-গঞ্চের উদ‍‍্যেশ‍্যে। তিনি বলেন, ডাবের শাঁসের পুষ্টিগুন অনেক বেশী। পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, ক‍্যালোরি ও ফ‍্যাট যুক্ত এই শাঁশ।
এছাড়াও ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি তো রয়েছেই। আছে ক‍্যালসিয়াম ও আয়রন। স্বভাবতই পুষ্টিযুক্ত রয়েছে নারিকেলের শাঁশে দাবী বিক্রেতা সাজিরুদ্দিনের। তিনি আরোও জানান, এই শাঁস খেলে হার্ট ভালো রাখে, দেহে শক্তি জোগায়, চুল ভালো রাখে। বিভিন্ন রকমের উপকারিতা রয়েছে এই নারিকেলের শাঁশে তাই খদ্দেরের অভাব হয়না বলে জানিয়েছেন তিনি।