২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

লকডাউনে গবাদি পশুই ছিল সংসারের ভরসা, সব শেষ

উজির আলী, নতুনগতি,চাঁচল:১৪ ই মে
একদিকে লকডাউনে কর্মহীনতায় লেগেছে সংসারে অভাব অনটন। তাপরেও ঘটনাক্রমে ক্ষত চিহ্নে লবন ছিটিয়ে দেওয়ার মতো আঘাত পেল মালদহের চাঁচলের এক জীবিকা নির্বাহকারী একটি দুস্থ পরিবার।

বৃহস্পতিবার ভোরবেলা সেহেরী খাওয়ার জন‍্য নিদ্রা কাটলে প্রথমেই চোখে আসে ছাই হয়ে যাওয়া গোটা গোয়াল ঘর। চাঁচল ১ নং ব্লকের মতিহারপুর জিপির পশ্চিম নরসিংহপুরের সালমুদ্দিন সাহেবের বাড়ির ঘটনা। তবে দমকল কে খবর দেওয়া হয়নি বলে খবর।

ক্ষতিগ্রস্থ গৃহকর্তা জানান, গোয়াল ভর্তি চারটি গরু ও ছয়টি ছাগল ছিল। সবটাই ছাই। তবে শেষ রক্ষা হয়েছে একমাত্র শোবার ঘরটি। লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতিতে বিমর্ষ ওই পরিবার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান সালমুদ্দিন পূর্বে লেবারের কাজে যুক্ত থেকে সংসার চালাতেন। কাজ করতে গিয়ে কোনো কারনে পায়ে আঘাত লাগলে তারপরে ধীরে ধীরে পায়ের মাংসাংশ খসে পড়লে শিলিগুড়িতে তা সার্জারী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখন শারীরিক অবস্থা দুর্বল। লকডাউন ছুটলেও তিনি বছর খানেক কাজ করতে পারবে না বলে দাবী করেছেন বাসিন্দারা।

বর্তমানে স্ত্রী পরিচারিকার কাজ করেন তাতেই চলে সংসার। তিন শিশু সন্তান নিয়ে ও স্বামীকে নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন গৃহবধূই।
তবে একমাত্র আয়ের পথ গবাদি পশু গুলো পুড়ে ছাই হওয়াতে দিশেহারা হয়েছে ওই পরিবারটি

তবে ঘটনার খবর শুনে মতিহার জিপির প্রধান পপি দাস খাওয়ার জোগানের জন‍্য কিছু আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধান জানিয়েছেন ওই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি খুব অসহায়। বিডিওকে বিষয়টি জানাব।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

লকডাউনে গবাদি পশুই ছিল সংসারের ভরসা, সব শেষ

আপডেট : ১৪ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার

উজির আলী, নতুনগতি,চাঁচল:১৪ ই মে
একদিকে লকডাউনে কর্মহীনতায় লেগেছে সংসারে অভাব অনটন। তাপরেও ঘটনাক্রমে ক্ষত চিহ্নে লবন ছিটিয়ে দেওয়ার মতো আঘাত পেল মালদহের চাঁচলের এক জীবিকা নির্বাহকারী একটি দুস্থ পরিবার।

বৃহস্পতিবার ভোরবেলা সেহেরী খাওয়ার জন‍্য নিদ্রা কাটলে প্রথমেই চোখে আসে ছাই হয়ে যাওয়া গোটা গোয়াল ঘর। চাঁচল ১ নং ব্লকের মতিহারপুর জিপির পশ্চিম নরসিংহপুরের সালমুদ্দিন সাহেবের বাড়ির ঘটনা। তবে দমকল কে খবর দেওয়া হয়নি বলে খবর।

ক্ষতিগ্রস্থ গৃহকর্তা জানান, গোয়াল ভর্তি চারটি গরু ও ছয়টি ছাগল ছিল। সবটাই ছাই। তবে শেষ রক্ষা হয়েছে একমাত্র শোবার ঘরটি। লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতিতে বিমর্ষ ওই পরিবার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান সালমুদ্দিন পূর্বে লেবারের কাজে যুক্ত থেকে সংসার চালাতেন। কাজ করতে গিয়ে কোনো কারনে পায়ে আঘাত লাগলে তারপরে ধীরে ধীরে পায়ের মাংসাংশ খসে পড়লে শিলিগুড়িতে তা সার্জারী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখন শারীরিক অবস্থা দুর্বল। লকডাউন ছুটলেও তিনি বছর খানেক কাজ করতে পারবে না বলে দাবী করেছেন বাসিন্দারা।

বর্তমানে স্ত্রী পরিচারিকার কাজ করেন তাতেই চলে সংসার। তিন শিশু সন্তান নিয়ে ও স্বামীকে নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন গৃহবধূই।
তবে একমাত্র আয়ের পথ গবাদি পশু গুলো পুড়ে ছাই হওয়াতে দিশেহারা হয়েছে ওই পরিবারটি

তবে ঘটনার খবর শুনে মতিহার জিপির প্রধান পপি দাস খাওয়ার জোগানের জন‍্য কিছু আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধান জানিয়েছেন ওই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি খুব অসহায়। বিডিওকে বিষয়টি জানাব।