১৪ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
১৪ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁচল টিচার্স ট্রেনিং কলেজের খাদ‍্য সামগ্রী বিলি চলেছেই, ২৭ দিনে ২৭০০ পরিবার

উজির আলী, নতুনগতি, মালদা:২৫ এপ্রিল
করোনা মহামারীতে লকডাউন, আর তারই মধ‍্যে খাদ‍্য সঙ্কট চলাকালীন এক অনন‍্য নজির গড়ে চলেছেন মালদহের চাঁচল টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কর্ণধার আসফাক আলম ওরফে রাজু বাবু।

লকডাউনে কর্মহীনতায় শ্রমিক শ্রেনীর
জনজীবন বিপর্যস্তের মুখে প্রায়। জুটছে না আহার,জলছে না আহার। তবে দুস্থদের পাশে দাড়িয়েছে চাঁচল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। যদিও এলাকায় বহু সংগঠন ত্রান বিলিতে উদ‍্যোগ নিয়েছেন।

তবে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ত্রান বিলির একটা রুটিন বেধে দিয়েছেন যা শনিবার ২৭ দিনে পদার্পন করেছে। ৩ ই মে পর্যন্ত চলবে ত্রান বিলি বলে জানা গেছে।
তবে লকডাউনের দীনক্ষন বৃদ্ধি পেলে, কলেজ কর্তৃপক্ষ খাদ‍্য সামগ্রী বিলি নিয়ে আলোচনা করবে বলে খবর।

সকাল হলেই ছুটতে হয় তাদের অনাহার অনায়াসে থাকা চিহ্নিত এলাকাগুলিতে তাদের দর্শন এখন দৈনন্দিন।
আহার তুলে দিচ্ছেন পরিবারের কর্তার হাতে। তবে কোনো শিবির নয়, বিভিন্ন গ্রামগুলিতে গিয়ে খাদ‍্য পৌঁছে দিচ্ছে তারা। ২৭ দিনে প্রায় ২৭০০ পরিবারকে তারা আহার তুলে দিয়েছেন। এবং ৫০ কুইন্টাল চাল এই পর্যন্ত বিলি হয়েছে জানান কর্নধার আসফাক আলম(রাজু)।
এছাড়াও ডাল,আলু সয়াবিনও প‍্যাকেজে থাকছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন ঘোষনার এক সপ্তাহ পরেই এই খাদ‍্য সামগ্রী বিলির উদ‍্যোগ নিয়েছেন তারা।কমিটি গঠন করে,চাঁচল এলাকার প্রত‍্যন্ত গ্রামগুলিতে রুটিং অনুযায়ী ত্রান পৌঁছে দিচ্ছেন তারা। কালবৈশাখী ঝড় হোক বা খড়া হোক দুর্গম পথ।

তাদের উদ্দেশ্য একটাই, ত্রান নিয়ে পৌছাঁতে অভুক্তের কাছে। ভাষনে নয় রেশনে তারা বিশ্বাস রাখে।
তাই এই ত্রান সামগ্রী বিলি করতে করতে কলেজ কর্তৃপক্ষ “আমরা পাশে আছি,থাকব” স্লোগানকে এখন আপন করেছে। পাশে থাকার বার্তাটা আজকের মহামারীতে তাদের মানবিক চিত্র ফুটে উঠেছে সমাজে। কুর্নিশ জানিয়েছেন গোটা চাঁচল সদর এলাকা।

সর্বাধিক পাঠিত

” ইস্কন দর্শনের পরেই লাপাত্তা তরুণী স্ত্রী, হতভম্ব যুবক l ” শরিফুল ইসলাম, নতুন গতি : নদীয়া জেলার মন্দির শহর নবদ্বীপ মায়াপুরে স্বামী-স্ত্রী বেড়াতে এসে নিখোঁজ হলেন তরুণী স্ত্রী l চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন মঙ্গল বার প্রতিবেশী জেলা বর্ধমানের পাটুলি শিমুল ডাঙ্গা গ্রামের বাপ্পা চন্দ্র তাঁর স্ত্রী পূজা কে সঙ্গে নিয়ে ইস্কন মন্দির দর্শনে আসেন l জানা যায় স্বামী- স্ত্রী উভয়েই সকাল থেকেই ইস্কনের বিভিন্ন মন্দির, হাতিশালা, গোশালা দর্শন করে দুপুরে তাঁরা মন্দিরের প্রসাদ খান l এর পর শ্রীধাম মায়াপুর ইস্কনের আরো কিছু উল্লেখযোগ্য স্থান দর্শণ করে উভয়েই ক্লান্ত হয়ে দুপুরে একটি গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেন l তখন স্ত্রী পূজা তাঁকে ঠান্ডা পানীয় জলের কথা বলেন l নতুন জায়গায় স্ত্রী কে প্রথমে একা রেখে যেতে নারাজ যুবক শেষপর্যন্ত একাই জল আনতে যান l বাপ্পা বাবুর কথায়, ” মিনিট পাঁচেক পরেই জল নিয়ে ফিরে এসে দেখি পূজা উধাও! এরপর মন্দির কর্তৃপক্ষ’র সঙ্গে যোগাযোগ করি l যেখানে যেখানে ঘুরেছি, আশেপাশের দোকান, লোকজন, নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন যাঁরা, কেউ-ই পূজার হদিশ দিতে পারেন নি l” উভয়ের পরিবার সূত্রে জানা গেল, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পাটুলি শিমুল ডাঙ্গা গ্রামের ছেলে বাপ্পা চন্দ্র’র গতবছর শান্তিপুরের মেয়ে পূজার সঙ্গে সামাজিক মতে বিয়ে হয় l বাপ্পা রাজস্থানের জয় পুরে সোনার দোকানে কাজ করেন l এদিনের ঘটনার সব কিছু জামাই-এর মুখে শোনার পর রাতেই নবদ্বীপ থানায় পূজার মা রীনা কর্মকার মেয়ের নামে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন l কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে এমন কান্ড না অপহরণ সমস্ত সব দিক বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ l ভালো জামাই,শান্ত ও নিরীহ স্বভাবের বছর কুড়ির মেয়ে পূজার কি এমন হল হতবাক রীনা দেবী

বোলপুরে রাজধানী সার্কাসের শুভ উদ্বোধন, প্রথম দিনেই দর্শকদের ভিড়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চাঁচল টিচার্স ট্রেনিং কলেজের খাদ‍্য সামগ্রী বিলি চলেছেই, ২৭ দিনে ২৭০০ পরিবার

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২০, রবিবার

উজির আলী, নতুনগতি, মালদা:২৫ এপ্রিল
করোনা মহামারীতে লকডাউন, আর তারই মধ‍্যে খাদ‍্য সঙ্কট চলাকালীন এক অনন‍্য নজির গড়ে চলেছেন মালদহের চাঁচল টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কর্ণধার আসফাক আলম ওরফে রাজু বাবু।

লকডাউনে কর্মহীনতায় শ্রমিক শ্রেনীর
জনজীবন বিপর্যস্তের মুখে প্রায়। জুটছে না আহার,জলছে না আহার। তবে দুস্থদের পাশে দাড়িয়েছে চাঁচল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। যদিও এলাকায় বহু সংগঠন ত্রান বিলিতে উদ‍্যোগ নিয়েছেন।

তবে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ত্রান বিলির একটা রুটিন বেধে দিয়েছেন যা শনিবার ২৭ দিনে পদার্পন করেছে। ৩ ই মে পর্যন্ত চলবে ত্রান বিলি বলে জানা গেছে।
তবে লকডাউনের দীনক্ষন বৃদ্ধি পেলে, কলেজ কর্তৃপক্ষ খাদ‍্য সামগ্রী বিলি নিয়ে আলোচনা করবে বলে খবর।

সকাল হলেই ছুটতে হয় তাদের অনাহার অনায়াসে থাকা চিহ্নিত এলাকাগুলিতে তাদের দর্শন এখন দৈনন্দিন।
আহার তুলে দিচ্ছেন পরিবারের কর্তার হাতে। তবে কোনো শিবির নয়, বিভিন্ন গ্রামগুলিতে গিয়ে খাদ‍্য পৌঁছে দিচ্ছে তারা। ২৭ দিনে প্রায় ২৭০০ পরিবারকে তারা আহার তুলে দিয়েছেন। এবং ৫০ কুইন্টাল চাল এই পর্যন্ত বিলি হয়েছে জানান কর্নধার আসফাক আলম(রাজু)।
এছাড়াও ডাল,আলু সয়াবিনও প‍্যাকেজে থাকছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন ঘোষনার এক সপ্তাহ পরেই এই খাদ‍্য সামগ্রী বিলির উদ‍্যোগ নিয়েছেন তারা।কমিটি গঠন করে,চাঁচল এলাকার প্রত‍্যন্ত গ্রামগুলিতে রুটিং অনুযায়ী ত্রান পৌঁছে দিচ্ছেন তারা। কালবৈশাখী ঝড় হোক বা খড়া হোক দুর্গম পথ।

তাদের উদ্দেশ্য একটাই, ত্রান নিয়ে পৌছাঁতে অভুক্তের কাছে। ভাষনে নয় রেশনে তারা বিশ্বাস রাখে।
তাই এই ত্রান সামগ্রী বিলি করতে করতে কলেজ কর্তৃপক্ষ “আমরা পাশে আছি,থাকব” স্লোগানকে এখন আপন করেছে। পাশে থাকার বার্তাটা আজকের মহামারীতে তাদের মানবিক চিত্র ফুটে উঠেছে সমাজে। কুর্নিশ জানিয়েছেন গোটা চাঁচল সদর এলাকা।