২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে কেন্দ্রের দেনা ৭৯৮ কোটি! একা প্রধানমন্ত্রীর উড়ানের খরচ ৪৫৯ কোটি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
  • 13

 

নতুন গতি প্রতিবেদন: দেশীয় বিমানসংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও ঋণে জর্জরিত বিমান সংস্থাটিকে কিনতে এখনও কেউ উৎসাহ দেখায়নি। এমন সময় জানা গেল, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এয়ার ইন্ডিয়া পায় ৭৯৭.৯৫ কোটি টাকা। এই হিসাব এ বছরের ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

জানা গেছে, এই বিরাট ব্যয় হয়েছে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং বিদেশি অভ্যাগতদের মতো ভিভিআইপিদের উড়ানের জন্য। এর মধ্যে স্রেফ প্রধানমন্ত্রীর অফিসের জন্যই খরচ হয়েছে ৪৫৮.৯৫৯ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান এমন সময়ে এল যখন সদ্য সদ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, ব্যয় সংকোচনই দেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রথম লক্ষ্য। জানা গেছে, ছ’মাস আগেও এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে সরকারের দেনা ছিল ৬০০ কোটি টাকার মতো। মার্চ মাসের পর থেকে এই অল্পসময়েই আরও ২০০ কোটি টাকা দেনা বেড়ে গেছে। এয়ার ইন্ডিয়া যে বিশদ বিবরণ দিয়েছিল তা থেকে জানা গেছে, শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদীর একার জন্য যে মোট প্রদেয় অর্থের পরিমাণ ছিল ১,৩২১.৪১ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর  থেকে শোধ করা হয়েছে ৮৬৫.৪৫ কোটি। বাকি এখনও ৪৫৮.৯৫৯ কোটি।

রাষ্ট্রপতির বিমানযাত্রার জন্য এয়ার ইন্ডিয়া পেত ৫৩৯.৩৫ কোটি, যার মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে ২৯৫.৪০ কোটি এবং বাকি আছে ২৪৩.৯৫০ কোটি টাকা। উপরাষ্ট্রপতির উড়ানের ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে (৭৭৯.৬৯ কোটি)। যদিও এর মধ্যে প্রায় সবটাই মুকুব করা হয়ে গেছে, বাকি আছে ৭২ কোটি টাকার সামান্য বেশি। যে সময়ে দেশীয় বিমান সংস্থা বিক্রি করতে উদ্যত হয়েছে কেন্দ্র সেখানে দাঁড়িয়ে এই তথ্য বেশ ‘আকর্ষণীয়’।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে কেন্দ্রের দেনা ৭৯৮ কোটি! একা প্রধানমন্ত্রীর উড়ানের খরচ ৪৫৯ কোটি

আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

 

নতুন গতি প্রতিবেদন: দেশীয় বিমানসংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও ঋণে জর্জরিত বিমান সংস্থাটিকে কিনতে এখনও কেউ উৎসাহ দেখায়নি। এমন সময় জানা গেল, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এয়ার ইন্ডিয়া পায় ৭৯৭.৯৫ কোটি টাকা। এই হিসাব এ বছরের ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

জানা গেছে, এই বিরাট ব্যয় হয়েছে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং বিদেশি অভ্যাগতদের মতো ভিভিআইপিদের উড়ানের জন্য। এর মধ্যে স্রেফ প্রধানমন্ত্রীর অফিসের জন্যই খরচ হয়েছে ৪৫৮.৯৫৯ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান এমন সময়ে এল যখন সদ্য সদ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, ব্যয় সংকোচনই দেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রথম লক্ষ্য। জানা গেছে, ছ’মাস আগেও এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে সরকারের দেনা ছিল ৬০০ কোটি টাকার মতো। মার্চ মাসের পর থেকে এই অল্পসময়েই আরও ২০০ কোটি টাকা দেনা বেড়ে গেছে। এয়ার ইন্ডিয়া যে বিশদ বিবরণ দিয়েছিল তা থেকে জানা গেছে, শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদীর একার জন্য যে মোট প্রদেয় অর্থের পরিমাণ ছিল ১,৩২১.৪১ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর  থেকে শোধ করা হয়েছে ৮৬৫.৪৫ কোটি। বাকি এখনও ৪৫৮.৯৫৯ কোটি।

রাষ্ট্রপতির বিমানযাত্রার জন্য এয়ার ইন্ডিয়া পেত ৫৩৯.৩৫ কোটি, যার মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে ২৯৫.৪০ কোটি এবং বাকি আছে ২৪৩.৯৫০ কোটি টাকা। উপরাষ্ট্রপতির উড়ানের ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে (৭৭৯.৬৯ কোটি)। যদিও এর মধ্যে প্রায় সবটাই মুকুব করা হয়ে গেছে, বাকি আছে ৭২ কোটি টাকার সামান্য বেশি। যে সময়ে দেশীয় বিমান সংস্থা বিক্রি করতে উদ্যত হয়েছে কেন্দ্র সেখানে দাঁড়িয়ে এই তথ্য বেশ ‘আকর্ষণীয়’।