২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ঢাকায় জাতিসংঘ প্রতিনিধিকে তলব, আবরার হত্যা নিয়ে বিবৃতি দেয়

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বিবৃতি দেয়ায় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ডাকা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয় থেকে আবরার হত্যার নিন্দা জ্ঞাপন করে এবং হত্যার সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। এই বিবৃতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে মিয়া সেপ্পোকে ডাকা হয় বলে সূত্রটি জানায়।

ঐ বিবৃতিতে ব্যক্তিগত মত প্রকাশের কারণে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় এবং ঐ ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, জাতিসংঘের প্রতিনিধির কাছে দু’টি বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একটি হলো, মুক্তভাবে মতপ্রকাশের সাথে আবরারকে হত্যার যোগসাজশের বিষয়টি উল্লেখ করা। অন্যটি হলো একজন ছাত্রের মৃত্যুর সাথে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টিকে সম্পৃক্ত করা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঢাকায় জাতিসংঘ প্রতিনিধিকে তলব, আবরার হত্যা নিয়ে বিবৃতি দেয়

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বিবৃতি দেয়ায় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ডাকা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয় থেকে আবরার হত্যার নিন্দা জ্ঞাপন করে এবং হত্যার সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। এই বিবৃতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে মিয়া সেপ্পোকে ডাকা হয় বলে সূত্রটি জানায়।

ঐ বিবৃতিতে ব্যক্তিগত মত প্রকাশের কারণে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় এবং ঐ ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, জাতিসংঘের প্রতিনিধির কাছে দু’টি বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একটি হলো, মুক্তভাবে মতপ্রকাশের সাথে আবরারকে হত্যার যোগসাজশের বিষয়টি উল্লেখ করা। অন্যটি হলো একজন ছাত্রের মৃত্যুর সাথে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টিকে সম্পৃক্ত করা।