২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হল যুবকের দেহ

উজির আলী,চাঁচল,২৫ সেপ্টেম্বর: মৃত্যুর প্রায় ৪২ দিন পর বুধবার সকালে আরজাউল হক (১৯) নামে এক যুবকের ধানগাড়া কবরস্থান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ তোলা হল। আরজাউল হক মালদহের চাঁচল-২ নং ব্লক খেমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিদ্যুৎনগরের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর পিতা মৃত মুশা হক। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আরজাউলের দিদি আমনুরের মতে ধানাগাড়া গ্রামের এক তরুনীকে রেজিষ্ট্রী বিয়ে করেন।
আরজাউলের শখ ছিল বন্ধু-বান্ধব ও গ্রামবাসীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান করার।তাতে নারাজ হয় পরিবার।রাত্রে পরিবারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি করে আত্মহত্যার পথে বের হয় আরজাউল। গ্রামের এক কিলোমিটার অদূরেই রেলালাইন। যা মালাহার রেল ষ্টেশন সংলগ্ন। পরিবার মধ্যরাত্রে রেললাইনের উপর ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় আরজাউলকে উদ্ধার করে। পরের দিন সকাল ছয়টা নাগাদ পুরোনো ভিটের গ্রাম ধানগাড়াতে দাফন দেওয়া হয় আরজাউলকে। এরপর আরজাউলের দিদি আমনুর বিবি মৃত পরিবারের মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে চাঁচল মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে যুবকের মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য এদিন কবর থেকে লাশ তোলা হয়।চাঁচল পুলিশের উপস্থিতিতে বুধবার সকালে ধানগাড়া কবরস্থান থেকে লাশটি তোলা হয়।পরে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল মর্গে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ কবরস্থানে আবারো দাফন করা হবে বলে খবর।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হল যুবকের দেহ

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার

উজির আলী,চাঁচল,২৫ সেপ্টেম্বর: মৃত্যুর প্রায় ৪২ দিন পর বুধবার সকালে আরজাউল হক (১৯) নামে এক যুবকের ধানগাড়া কবরস্থান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ তোলা হল। আরজাউল হক মালদহের চাঁচল-২ নং ব্লক খেমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিদ্যুৎনগরের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর পিতা মৃত মুশা হক। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আরজাউলের দিদি আমনুরের মতে ধানাগাড়া গ্রামের এক তরুনীকে রেজিষ্ট্রী বিয়ে করেন।
আরজাউলের শখ ছিল বন্ধু-বান্ধব ও গ্রামবাসীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান করার।তাতে নারাজ হয় পরিবার।রাত্রে পরিবারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি করে আত্মহত্যার পথে বের হয় আরজাউল। গ্রামের এক কিলোমিটার অদূরেই রেলালাইন। যা মালাহার রেল ষ্টেশন সংলগ্ন। পরিবার মধ্যরাত্রে রেললাইনের উপর ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় আরজাউলকে উদ্ধার করে। পরের দিন সকাল ছয়টা নাগাদ পুরোনো ভিটের গ্রাম ধানগাড়াতে দাফন দেওয়া হয় আরজাউলকে। এরপর আরজাউলের দিদি আমনুর বিবি মৃত পরিবারের মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে চাঁচল মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে যুবকের মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য এদিন কবর থেকে লাশ তোলা হয়।চাঁচল পুলিশের উপস্থিতিতে বুধবার সকালে ধানগাড়া কবরস্থান থেকে লাশটি তোলা হয়।পরে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল মর্গে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ কবরস্থানে আবারো দাফন করা হবে বলে খবর।