২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মাওলানা মাহমুদ মাদানি সাহেবের বক্তব্য কাশ্মীর নিয়ে গদি মিডিয়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন

জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ একশত বছরের পুরনো সংগঠন।

আর এই সংস্থার সব থেকে বড় বিশেষত্ব হল এই সংগঠন প্রথম দিন থেকে যখন ভিত্তি স্থাপন করা হয় প্রথম সভাতেই পূর্ণ স্বাধীনতার ঘোষণা করে। এই সংগঠন হল সেই সংগঠন যে জাতীয় কংগ্রেসের পূর্ণ স্বাধীনতা ঘোষণার ১০ বছর আগে পূর্ণ স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

এ হল সেই সংগঠন স্বাধীনতার সময় যখন জাত-পাত, ধর্মের বিভাজন চাপিয়ে দেওয়া হয় তখন হাওয়ার বিপরীতে গিয়ে জোরে বলে ধর্মের নামে দেশ বিভাজন চায় না। দ্বিজাতিতত্ত্বকে রিজেক্ট করে। এই রিজেকশন রাজনৈতিক বা ভৌগলিক ভিত্তি করে নয় বরং ধর্ম ভিত্তি করে ছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এই নীতির উপরেই স্থির আছে।

আমাদের দেশ ছিল, আমাদের দেশ এখনও, আমাদের দেশ থাকবে। এ আমাদের দেশ।
যখন আমাদের দেশে ইস্যু আসবে, আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু যখন দেশের বিষয় আসবে তখন আমরা সকল ভারতবাসী এক।

কয়েকটি শত্রু দেশ, আমাদের দেশের ভিতরেও আছে, দেখাতে চায়ছে ভারতের মুসলমান আর দেশের অন্যান্যরা, দেশ ভিন্ন রাস্তায়। আমরা এই ধারণাকে পুরোপুরি রিজেক্ট করছি। দেশ আমাদের, আর দেশের সঙ্গে খাড়া আছি। দেশের সম্মানের সাথে, দেশের সুরক্ষা, অখন্ডতা ( Integrity) র সাথে কোন সমঝোতা কোন মূল্যেই হবে না।

আমরা পুরো দেশের সাথে। ভারতের বহিঃশত্রু ও আভ্যন্তরীন শত্রুকে কড়া ভাষায় বলছি। ফারুক সাহেব ভিতরের শত্রুর ভয়ে বলছিলেন লাইনের এপার-ওপার না করতে। যে আত্মা যে ভাবনা, আমাদের মধ্যে দ্বিমত হতে পারে কিন্তু জাতীয় ইস্যুতে আমরা আমাদের জাতির সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব। এটা নতুন নয়, হঠাৎও নয় আমরা কাশ্মির নিয়ে ১৯৫১, ১৯৬৩ আর ২০১৯-এও সম্মত হয়েছি।

এরপর মাদ্রাসার আধুনিকিকরণ নিয়ে ও এনআরসি নিয়ে কথাবার্তা হয়। এনআরসি নিয়ে বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হোক।

যে মামলা সেই জায়গায়, (৩৭১ ধারা বিলোপ না করা প্রসঙ্গে)উত্তর পূর্বের বিষয়ে উত্তর-পূর্বের মানুষ বলবে। ৩৭০ ধারা বিলোপসহ বহু বিষয়ে সরকারের মতের সঙ্গে মিল না-ও হতে পারে। কিন্তু দেশের বিষয়ে আছি। পাকিস্তান, লড়ছে লড়ুক। কিন্তু ভারতীয় মুসলিমদের তৃতীয়পক্ষ হিসাবে দেখাবার বিরোধিতা করি। আমরা ভারতীয় ছিলাম, আছি, থাকব।

শেষ দিকে সাংবাদিকরা ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে মন্তব্যে চাপাচাপি করলে উনি এটাও বলেন, আপনাদের কথা আমার মুখ দিয়ে বলাতে চান। বারবার বলেন (৩৭০ বিলোপে প্রয়োগপদ্ধতি) সরকারের সাথে বহু বিষয়ে মতভেদ থাকলেও দেশের সুরক্ষা ও অখন্ডতা বিষয়ে এককাট্টা।
কাশ্মীর নিয়ে এই বক্তব্য রাখেন।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাওলানা মাহমুদ মাদানি সাহেবের বক্তব্য কাশ্মীর নিয়ে গদি মিডিয়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার

জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ একশত বছরের পুরনো সংগঠন।

আর এই সংস্থার সব থেকে বড় বিশেষত্ব হল এই সংগঠন প্রথম দিন থেকে যখন ভিত্তি স্থাপন করা হয় প্রথম সভাতেই পূর্ণ স্বাধীনতার ঘোষণা করে। এই সংগঠন হল সেই সংগঠন যে জাতীয় কংগ্রেসের পূর্ণ স্বাধীনতা ঘোষণার ১০ বছর আগে পূর্ণ স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

এ হল সেই সংগঠন স্বাধীনতার সময় যখন জাত-পাত, ধর্মের বিভাজন চাপিয়ে দেওয়া হয় তখন হাওয়ার বিপরীতে গিয়ে জোরে বলে ধর্মের নামে দেশ বিভাজন চায় না। দ্বিজাতিতত্ত্বকে রিজেক্ট করে। এই রিজেকশন রাজনৈতিক বা ভৌগলিক ভিত্তি করে নয় বরং ধর্ম ভিত্তি করে ছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এই নীতির উপরেই স্থির আছে।

আমাদের দেশ ছিল, আমাদের দেশ এখনও, আমাদের দেশ থাকবে। এ আমাদের দেশ।
যখন আমাদের দেশে ইস্যু আসবে, আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু যখন দেশের বিষয় আসবে তখন আমরা সকল ভারতবাসী এক।

কয়েকটি শত্রু দেশ, আমাদের দেশের ভিতরেও আছে, দেখাতে চায়ছে ভারতের মুসলমান আর দেশের অন্যান্যরা, দেশ ভিন্ন রাস্তায়। আমরা এই ধারণাকে পুরোপুরি রিজেক্ট করছি। দেশ আমাদের, আর দেশের সঙ্গে খাড়া আছি। দেশের সম্মানের সাথে, দেশের সুরক্ষা, অখন্ডতা ( Integrity) র সাথে কোন সমঝোতা কোন মূল্যেই হবে না।

আমরা পুরো দেশের সাথে। ভারতের বহিঃশত্রু ও আভ্যন্তরীন শত্রুকে কড়া ভাষায় বলছি। ফারুক সাহেব ভিতরের শত্রুর ভয়ে বলছিলেন লাইনের এপার-ওপার না করতে। যে আত্মা যে ভাবনা, আমাদের মধ্যে দ্বিমত হতে পারে কিন্তু জাতীয় ইস্যুতে আমরা আমাদের জাতির সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব। এটা নতুন নয়, হঠাৎও নয় আমরা কাশ্মির নিয়ে ১৯৫১, ১৯৬৩ আর ২০১৯-এও সম্মত হয়েছি।

এরপর মাদ্রাসার আধুনিকিকরণ নিয়ে ও এনআরসি নিয়ে কথাবার্তা হয়। এনআরসি নিয়ে বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হোক।

যে মামলা সেই জায়গায়, (৩৭১ ধারা বিলোপ না করা প্রসঙ্গে)উত্তর পূর্বের বিষয়ে উত্তর-পূর্বের মানুষ বলবে। ৩৭০ ধারা বিলোপসহ বহু বিষয়ে সরকারের মতের সঙ্গে মিল না-ও হতে পারে। কিন্তু দেশের বিষয়ে আছি। পাকিস্তান, লড়ছে লড়ুক। কিন্তু ভারতীয় মুসলিমদের তৃতীয়পক্ষ হিসাবে দেখাবার বিরোধিতা করি। আমরা ভারতীয় ছিলাম, আছি, থাকব।

শেষ দিকে সাংবাদিকরা ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে মন্তব্যে চাপাচাপি করলে উনি এটাও বলেন, আপনাদের কথা আমার মুখ দিয়ে বলাতে চান। বারবার বলেন (৩৭০ বিলোপে প্রয়োগপদ্ধতি) সরকারের সাথে বহু বিষয়ে মতভেদ থাকলেও দেশের সুরক্ষা ও অখন্ডতা বিষয়ে এককাট্টা।
কাশ্মীর নিয়ে এই বক্তব্য রাখেন।