২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সন্দেশখালির নিহত ও নিখোঁজ বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে মুকুল-কৈলাশ

নাজিবুল্লাহ রহমানি,বসিরহাটঃউত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালির ন্যাজাটে নিহত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গেলেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। রবিবার সকালে সন্দেশখালির ভাঙিপাড়ায় নিখোঁজ বিজেপি কর্মী দেবদাস মণ্ডল এবং নিহত বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মন্ডলের বাড়িতে যান তাঁরা। দেখা করে কথা বলেন নিহতদের পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে। তাঁদের সব রকমের সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি নিখোঁজ বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়েও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এরপর সাংবাদিক সম্মেলন করেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, যতক্ষণ না তৃণমূল সরকারকে রাজ্যের মসনদ থেকে আমরা উপড়ে ফেলতে পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা শান্তি পাবো না। রাজ্যে আতঙ্ক ও সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, খুব শীঘ্রই রাজ্য থেকে বিতারিত হবে তৃণমূল কংগ্রেস, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার এলেই সন্ত্রাসের পরিবেশ আর থাকবে না বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
বিজেপি নেতা মুকুল রায়ও একই সুরে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রীকে। তাঁর সরাসরি অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই সন্দেশখালির অভিযুক্তরা গ্রেফতার হচ্ছে না। তাঁরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সাধারণ মানুষ ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন এখানে। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় আরও সুর চড়িয়ে বলেন, শেখ শাহাজাহেনের মতো তৃণমূল নেতাদের পুলিশ ধরেই উল্টে ৪২ বিজেপি কর্মীদের ওপর ভুয়ো মামলা দায়এর করেছে পুলিশ। নিজেদেরই বোমায় এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হওয়ায় পুলিশ যতটা তৎপর ততটা তৎপরতা নিখোঁজকে খুঁজতে নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। মুকুল রায় বলেন, এই রাজ্য সরকার সিবিআইকে ভয় পায়, তাই আইন করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে আটকেছে। তাই আমরা আদালতের দরজায় কড়া নাড়তে চলেছি বলেও দাবি করলেন তিনি।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সন্দেশখালির নিহত ও নিখোঁজ বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে মুকুল-কৈলাশ

আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

নাজিবুল্লাহ রহমানি,বসিরহাটঃউত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালির ন্যাজাটে নিহত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গেলেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। রবিবার সকালে সন্দেশখালির ভাঙিপাড়ায় নিখোঁজ বিজেপি কর্মী দেবদাস মণ্ডল এবং নিহত বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মন্ডলের বাড়িতে যান তাঁরা। দেখা করে কথা বলেন নিহতদের পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে। তাঁদের সব রকমের সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি নিখোঁজ বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়েও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এরপর সাংবাদিক সম্মেলন করেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, যতক্ষণ না তৃণমূল সরকারকে রাজ্যের মসনদ থেকে আমরা উপড়ে ফেলতে পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা শান্তি পাবো না। রাজ্যে আতঙ্ক ও সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, খুব শীঘ্রই রাজ্য থেকে বিতারিত হবে তৃণমূল কংগ্রেস, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার এলেই সন্ত্রাসের পরিবেশ আর থাকবে না বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
বিজেপি নেতা মুকুল রায়ও একই সুরে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রীকে। তাঁর সরাসরি অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই সন্দেশখালির অভিযুক্তরা গ্রেফতার হচ্ছে না। তাঁরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সাধারণ মানুষ ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন এখানে। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় আরও সুর চড়িয়ে বলেন, শেখ শাহাজাহেনের মতো তৃণমূল নেতাদের পুলিশ ধরেই উল্টে ৪২ বিজেপি কর্মীদের ওপর ভুয়ো মামলা দায়এর করেছে পুলিশ। নিজেদেরই বোমায় এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হওয়ায় পুলিশ যতটা তৎপর ততটা তৎপরতা নিখোঁজকে খুঁজতে নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। মুকুল রায় বলেন, এই রাজ্য সরকার সিবিআইকে ভয় পায়, তাই আইন করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে আটকেছে। তাই আমরা আদালতের দরজায় কড়া নাড়তে চলেছি বলেও দাবি করলেন তিনি।