২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সহবাসের পর অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে প্রত্যাখ্যান, অপরাধীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক । গত ১৩ জুনের ঘটনা। বেনিয়াপুকুর থানায় এসে একটি গুরুতর অভিযোগ দায়ের করে ১৭ বছরের এক কিশোরী। জানায়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার সহবাস করেছে রোহিত ওরফে মহঃ ফৈজান নামের এক যুবক। ফলে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সেই মেয়েটি। জানার পর মেয়েটির আর কোনও দায়িত্ব নিতে রাজি হয়নি ফৈজান। উল্টে, মেয়েটিকে সে প্রাণে মারার হুমকিও দেয়। বাধ্য হয়েই এরপর বেনিয়াপুকুর থানায় অভিযোগ জানায় কিশোরীটি।

অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে সাব-ইনস্পেকটর মিনু সোনারের নেতৃত্বে বেনিয়াপুকুর থানার বিশেষ টিম। কিশোরী মেয়েটির স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হয়। রোহিত ওরফে ফৈজান তখন পলাতক। তার খোঁজ শুরু হয়। সোর্স মারফত খবর পেয়ে, ৮ জুলাই সন্ধে ৭টা নাগাদ, জাননগর রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন বেনিয়াপুকুর থানার তদন্তকারী অফিসারেরা।

মহঃ ফৈজানের বিরুদ্ধে পকসো আইনে (Protection of Children from Sexual Offences Act) মামলা রুজু হয়। মেয়েটির মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ-সহ চার্জশিট জমা দেওয়া হয় দ্রুতই।

সেই কেসেরই রায় বেরিয়েছে। ফৈজানের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় বিচারক। সঙ্গে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা। জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়বে। এই জরিমানার ৯০ শতাংশ টাকাই ক্ষতিপূরণ বাবদ যাবে মেয়েটির কাছে।

এই কেসের তদন্তকারী অফিসার বেনিয়াপুকুর থানার সাব ইনস্পেকটর মিনু সোনারের অক্লান্ত পরিশ্রম ও তৎপরতায় অভিযোগ পাওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই শাস্তি সুনিশ্চিত হয়েছে অপরাধীর।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সহবাসের পর অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে প্রত্যাখ্যান, অপরাধীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

আপডেট : ৭ অগাস্ট ২০১৯, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক । গত ১৩ জুনের ঘটনা। বেনিয়াপুকুর থানায় এসে একটি গুরুতর অভিযোগ দায়ের করে ১৭ বছরের এক কিশোরী। জানায়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার সহবাস করেছে রোহিত ওরফে মহঃ ফৈজান নামের এক যুবক। ফলে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সেই মেয়েটি। জানার পর মেয়েটির আর কোনও দায়িত্ব নিতে রাজি হয়নি ফৈজান। উল্টে, মেয়েটিকে সে প্রাণে মারার হুমকিও দেয়। বাধ্য হয়েই এরপর বেনিয়াপুকুর থানায় অভিযোগ জানায় কিশোরীটি।

অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে সাব-ইনস্পেকটর মিনু সোনারের নেতৃত্বে বেনিয়াপুকুর থানার বিশেষ টিম। কিশোরী মেয়েটির স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হয়। রোহিত ওরফে ফৈজান তখন পলাতক। তার খোঁজ শুরু হয়। সোর্স মারফত খবর পেয়ে, ৮ জুলাই সন্ধে ৭টা নাগাদ, জাননগর রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন বেনিয়াপুকুর থানার তদন্তকারী অফিসারেরা।

মহঃ ফৈজানের বিরুদ্ধে পকসো আইনে (Protection of Children from Sexual Offences Act) মামলা রুজু হয়। মেয়েটির মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ-সহ চার্জশিট জমা দেওয়া হয় দ্রুতই।

সেই কেসেরই রায় বেরিয়েছে। ফৈজানের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় বিচারক। সঙ্গে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা। জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়বে। এই জরিমানার ৯০ শতাংশ টাকাই ক্ষতিপূরণ বাবদ যাবে মেয়েটির কাছে।

এই কেসের তদন্তকারী অফিসার বেনিয়াপুকুর থানার সাব ইনস্পেকটর মিনু সোনারের অক্লান্ত পরিশ্রম ও তৎপরতায় অভিযোগ পাওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই শাস্তি সুনিশ্চিত হয়েছে অপরাধীর।