২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

দুবরাজপুরে কমরেড জ্যোতি বসুর জন্ম বার্ষিকী পালিত হল

 

নিজস্ব সংবাদদাতা- দুবরাজপুর সিটু এর কার্যালয়ে পালিত হলো কমরেড জ্যোতি বসুর জন্মবার্ষিকী। সকাল থেকেই বামফ্রন্টের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আজকে তারা শান্তি শৃঙ্খলা বার্তা দিতে পথ সভাও করেন। দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন জ্যোতি বাবু।অভিজাত পরিবারের সন্তান ! ব্যারিস্টার হিসাবে বন্ধুদের মতো পেশাদারি সাফল্য পেতেই পারতেন ! কিন্তু কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হয়ে বেছে নিলেন বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের রাজনীতি !

কমরেড জ্যোতি বসু বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন নি ঠিকই, কিন্তু প্রমাণ করেছিলেন, বূর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে নির্বাচিত কোন সরকার সাধারণ গরিব মানুষের হাতে কতটা ক্ষমতা দিতে পারে ! স্বাধীনতার পরেও ভারতবর্ষে যা অবিশ্বাস্য ছিল ! ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালু করার জন্য বা গ্রামীণ ক্ষুদ্র কৃষকদের হাতে জমি তুলে দেওয়ার জন্য কমরেড জ্যোতি বসু বা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত বামফ্রন্ট সরকার, কাউকে ধর্ম বা জাতপাতের রাজনীতি করতে হয় নি ! সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে কঠোরভাবে দমন করে ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের মর্যাদারক্ষা করেছিলেন তিনি ! কের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমরেড স্বপন মুখার্জি, শীতল বাউরী, সাধন ঘোষ প্রমূখ প্রথম সারির নেতৃত্ব।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুবরাজপুরে কমরেড জ্যোতি বসুর জন্ম বার্ষিকী পালিত হল

আপডেট : ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার

 

নিজস্ব সংবাদদাতা- দুবরাজপুর সিটু এর কার্যালয়ে পালিত হলো কমরেড জ্যোতি বসুর জন্মবার্ষিকী। সকাল থেকেই বামফ্রন্টের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আজকে তারা শান্তি শৃঙ্খলা বার্তা দিতে পথ সভাও করেন। দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন জ্যোতি বাবু।অভিজাত পরিবারের সন্তান ! ব্যারিস্টার হিসাবে বন্ধুদের মতো পেশাদারি সাফল্য পেতেই পারতেন ! কিন্তু কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হয়ে বেছে নিলেন বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের রাজনীতি !

কমরেড জ্যোতি বসু বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন নি ঠিকই, কিন্তু প্রমাণ করেছিলেন, বূর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে নির্বাচিত কোন সরকার সাধারণ গরিব মানুষের হাতে কতটা ক্ষমতা দিতে পারে ! স্বাধীনতার পরেও ভারতবর্ষে যা অবিশ্বাস্য ছিল ! ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালু করার জন্য বা গ্রামীণ ক্ষুদ্র কৃষকদের হাতে জমি তুলে দেওয়ার জন্য কমরেড জ্যোতি বসু বা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত বামফ্রন্ট সরকার, কাউকে ধর্ম বা জাতপাতের রাজনীতি করতে হয় নি ! সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে কঠোরভাবে দমন করে ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের মর্যাদারক্ষা করেছিলেন তিনি ! কের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমরেড স্বপন মুখার্জি, শীতল বাউরী, সাধন ঘোষ প্রমূখ প্রথম সারির নেতৃত্ব।