২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জামাইষষ্ঠীতে ইলিশের চাহিদা পূরণ করবে “পেংবা”

নিজস্ব প্রতিনিধি; হলদিয়া: রাত পোহালেই জামাইষষ্ঠী। এই জামাইষষ্ঠীতে বাড়ির জামাইয়ের পাতে এক টুকরো ইলিশ না পড়লে, পাতটা যেন কেমন যেন ফাঁকা-ফাঁকা লাগে। মনে হয়, বাঙালিয়ানা রেওয়াজে জামাই বাবাজির আতিথেয়তায় বুঝি ছেদ পড়ল।

কিন্তু, উপায় যে নেই! মৎস্যজীবীদের জালে এখন আর সেভাবে ধরা পড়েছে না সেই সুস্বাদু ইলিশ মাছ। কিছুই যখন করার নেই, তখন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো ছাড়া আর উপায় কী?

ইলিশের স্থান দখল হচ্ছে মৎসজীবীদের জালে ধরা পড়া কিছুটা ইলিশের মতো দেখতে “পেংবা” মাছ। এই মাছের অতিরিক্ত যোগান দিতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হলদিয়ার মৎস্যচাষীরা।

এই “পেংবা” মাছের দাম নেহাত কম নয়! কিন্তু জামাই বাবাজিদের আপ্যায়ন করতে হবে তো… তাই কোনো রকম বাধা ছাড়াই বাধ্য হয়েই আগামীকাল ওই মাছ কেনার জন্য ঝাঁপাবে সবাই। এমনটাই মনে করছেন হলদিয়ার মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

হলদিয়া ব্লকের মৎস্য কর্মকর্তা গোকুল চন্দ্র মাজী বলেন, মনিপুরের এই মাছের পোনা প্রথম আমরা আমাদের ব্লকে আনা হয়। এই “পেংবা” পোনা এনে তা পরীক্ষা করে সাধারণ মানুষকে চাষ করার পরামর্শ দিয়েছি। এক ব্লক আধিকারীকের কথায়, এই মাছের চাষ প্রথমে দেউলপোতা অঞ্চলের দ্বারিবেড়্যা গ্ৰামে চাষ করা হয় এবং বর্তমানে তা গোটা হলদিয়া এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জামাইষষ্ঠীতে ইলিশের চাহিদা পূরণ করবে “পেংবা”

আপডেট : ৭ জুন ২০১৯, শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিনিধি; হলদিয়া: রাত পোহালেই জামাইষষ্ঠী। এই জামাইষষ্ঠীতে বাড়ির জামাইয়ের পাতে এক টুকরো ইলিশ না পড়লে, পাতটা যেন কেমন যেন ফাঁকা-ফাঁকা লাগে। মনে হয়, বাঙালিয়ানা রেওয়াজে জামাই বাবাজির আতিথেয়তায় বুঝি ছেদ পড়ল।

কিন্তু, উপায় যে নেই! মৎস্যজীবীদের জালে এখন আর সেভাবে ধরা পড়েছে না সেই সুস্বাদু ইলিশ মাছ। কিছুই যখন করার নেই, তখন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো ছাড়া আর উপায় কী?

ইলিশের স্থান দখল হচ্ছে মৎসজীবীদের জালে ধরা পড়া কিছুটা ইলিশের মতো দেখতে “পেংবা” মাছ। এই মাছের অতিরিক্ত যোগান দিতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হলদিয়ার মৎস্যচাষীরা।

এই “পেংবা” মাছের দাম নেহাত কম নয়! কিন্তু জামাই বাবাজিদের আপ্যায়ন করতে হবে তো… তাই কোনো রকম বাধা ছাড়াই বাধ্য হয়েই আগামীকাল ওই মাছ কেনার জন্য ঝাঁপাবে সবাই। এমনটাই মনে করছেন হলদিয়ার মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

হলদিয়া ব্লকের মৎস্য কর্মকর্তা গোকুল চন্দ্র মাজী বলেন, মনিপুরের এই মাছের পোনা প্রথম আমরা আমাদের ব্লকে আনা হয়। এই “পেংবা” পোনা এনে তা পরীক্ষা করে সাধারণ মানুষকে চাষ করার পরামর্শ দিয়েছি। এক ব্লক আধিকারীকের কথায়, এই মাছের চাষ প্রথমে দেউলপোতা অঞ্চলের দ্বারিবেড়্যা গ্ৰামে চাষ করা হয় এবং বর্তমানে তা গোটা হলদিয়া এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।