০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

জেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে মালদহ স্টেশনে তৃণমূল ও কংগ্রেসের  তিন সদস্য আটক, উত্তপ্ত জেলা পরিষদ

মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতি নির্বাচনের কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার গভীর রাতে মালদহ টাউন স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার পর তৃণমূল ও কংগ্রেস শিবিরের তিন জেলা পরিষদ সদস্যকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই স্টেশন চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়।

দক্ষিণ মালদার কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী এবং কংগ্রেস নেত্রী মৌসম বেনজির নূর অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় পুলিশকে ব্যবহার করে তাঁদের সমর্থক সদস্যদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।
৪৩ আসনের মালদহ জেলা পরিষদে তৃণমূলের একাংশের ১৯ জন সদস্য কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের সমর্থনে সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন বলে দাবি। এরপর অনাস্থার পক্ষে থাকা সদস্যদের একাংশ প্রায় এক মাস ঝাড়খণ্ডে ছিলেন। মঙ্গলবার নির্বাচন থাকায় সোমবার রাতে তাঁরা ট্রেনে মালদহে ফিরছিলেন। স্টেশনে নামার পর তাঁদের মধ্যে তিনজনকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব পুলিশ প্রশাসন ও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। তবে আটকের কারণ নিয়ে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে মালদহ স্টেশনে তৃণমূল ও কংগ্রেসের  তিন সদস্য আটক, উত্তপ্ত জেলা পরিষদ

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার

মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতি নির্বাচনের কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার গভীর রাতে মালদহ টাউন স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার পর তৃণমূল ও কংগ্রেস শিবিরের তিন জেলা পরিষদ সদস্যকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই স্টেশন চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়।

দক্ষিণ মালদার কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী এবং কংগ্রেস নেত্রী মৌসম বেনজির নূর অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় পুলিশকে ব্যবহার করে তাঁদের সমর্থক সদস্যদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।
৪৩ আসনের মালদহ জেলা পরিষদে তৃণমূলের একাংশের ১৯ জন সদস্য কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের সমর্থনে সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন বলে দাবি। এরপর অনাস্থার পক্ষে থাকা সদস্যদের একাংশ প্রায় এক মাস ঝাড়খণ্ডে ছিলেন। মঙ্গলবার নির্বাচন থাকায় সোমবার রাতে তাঁরা ট্রেনে মালদহে ফিরছিলেন। স্টেশনে নামার পর তাঁদের মধ্যে তিনজনকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব পুলিশ প্রশাসন ও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। তবে আটকের কারণ নিয়ে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।