মালদা: ৬ অক্টোবর মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচন। তার ঠিক আগে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যদের অবস্থানস্থলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। পুলিশি অভিযানের পিছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্য সাগরিকা সরকার। ৪৩ আসনের মালদা জেলা পরিষদে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৩৪টি, কংগ্রেস পাঁচটি এবং বিজেপি চারটি আসন পায়। সভাধিপতি হন লিপিকা বর্মন ঘোষ, সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের ১৯ জন সদস্য তাঁদের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। তলবি সভার আগেই দু’জন পদত্যাগ করেন। হাইকোর্টের নির্দেশে পরবর্তী তলবি সভায় পাঁচ কংগ্রেস সদস্য বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্যদের সমর্থন করেন।হাইকোর্টের নির্দেশে ৬ অক্টোবর নতুন করে সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই বিক্ষুব্ধ সদস্যদের অবস্থানস্থলে পুলিশি অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। সাগরিকা সরকারের দাবি, তৃণমূলের ১৯ জন এবং কংগ্রেসের পাঁচ সদস্য তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। ফলে জেলা পরিষদে তাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে বিজেপির চার সদস্য এখনও নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেননি। বিজেপির মালদা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলই অনাস্থা করেছে। এটা তাদের সিন্ডিকেটের ব্যাপার।”
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
BREAKING :
সভাধিপতি ভোটের আগে ‘গোপন ডেরায়’ পুলিশি হানা, মালদায় তুঙ্গে তৃণমূলের কোন্দল
-
নতুন গতি - আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
- 19
সর্বাধিক পাঠিত
নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder





























