১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

নৌকাতেই চিকিৎসা, বানভাসিদের পাশে স্বাস্থ্যকর্মীরা

মালদা: গঙ্গার জলে প্লাবিত ভূতনি থানার অন্তর্গত তিনটি অঞ্চলের প্রায় সমস্ত গ্রাম। জলবন্দি দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ। বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে থানা, স্কুল থেকে হাসপাতালও। এমন পরিস্থিতিতে বানভাসি মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে নৌকায় করে জলবন্দি গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা।
উত্তর চণ্ডীপুরের বিভিন্ন জলবন্দি গ্রামে নৌকায় করে পৌঁছে চিকিৎসা পরিষেবা দেন মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অভিক শংকর কুমার-সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা। নৌকার উপরেই রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্যার জেরে জ্বর, সর্দি, কাশি-সহ বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বানভাসিদের মধ্যে। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে জলবন্দি এলাকায় নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি নৌকায় করে চিকিৎসা পরিষেবা ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এদিন শতাধিক পরিবার ও মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ওষুধ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বন্যার সময় কীভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা যায়, সে বিষয়েও সচেতন করা হয় বাসিন্দাদের।
ডাঃ অভিক শংকর কুমার জানান, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁদের স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার খোঁজ নিতে প্রতিদিন নৌকায় করে ভূতনির বিভিন্ন গ্রামে পৌঁছচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই আড়াইশোর বেশি গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগের উপরও চলছে নজরদারি।

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নৌকাতেই চিকিৎসা, বানভাসিদের পাশে স্বাস্থ্যকর্মীরা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
মালদা: গঙ্গার জলে প্লাবিত ভূতনি থানার অন্তর্গত তিনটি অঞ্চলের প্রায় সমস্ত গ্রাম। জলবন্দি দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ। বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে থানা, স্কুল থেকে হাসপাতালও। এমন পরিস্থিতিতে বানভাসি মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে নৌকায় করে জলবন্দি গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা।
উত্তর চণ্ডীপুরের বিভিন্ন জলবন্দি গ্রামে নৌকায় করে পৌঁছে চিকিৎসা পরিষেবা দেন মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অভিক শংকর কুমার-সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা। নৌকার উপরেই রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্যার জেরে জ্বর, সর্দি, কাশি-সহ বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বানভাসিদের মধ্যে। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে জলবন্দি এলাকায় নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি নৌকায় করে চিকিৎসা পরিষেবা ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এদিন শতাধিক পরিবার ও মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ওষুধ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বন্যার সময় কীভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা যায়, সে বিষয়েও সচেতন করা হয় বাসিন্দাদের।
ডাঃ অভিক শংকর কুমার জানান, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁদের স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার খোঁজ নিতে প্রতিদিন নৌকায় করে ভূতনির বিভিন্ন গ্রামে পৌঁছচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই আড়াইশোর বেশি গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগের উপরও চলছে নজরদারি।