আক্তারুল খান, শ্যামপুর: স্কুল ভবন রয়েছে, কিন্তু সেখানে ক্লাস হয় না। চার বছর ধরে স্থানীয় একটি ক্লাবঘরের এক কামরাতেই চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন। দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এবার উদ্যোগী হলেন শ্যামপুরের বিধায়ক হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়।সম্প্রতি শ্যামপুর-১ ব্লকের বেলাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব বাসুদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন বিধায়ক। অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার কথা শোনেন তিনি। পড়ুয়াদের জন্য দ্রুত বিকল্প জায়গায় ক্লাসের ব্যবস্থা এবং বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।বিদ্যালয়ে শিশুশ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়ার সংখ্যা ৬৫। বর্তমানে স্থানীয় যুবশক্তি ক্লাবের একটি ঘরেই পাঁচটি শ্রেণির ক্লাস চলছে। তিন জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে একই জায়গায় একসঙ্গে ক্লাস নিতে হচ্ছে। ফলে জায়গার অভাবে পঠনপাঠনে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
২০২২ সালের এপ্রিল মাসে হুগলি নদীর ভাঙনে প্রায় ৩০০ মিটার নদীবাঁধ ও রাস্তা নদীগর্ভে চলে যায়। ভাঙন স্কুলের কাছাকাছি পৌঁছনোয় পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে স্কুল ভবনে ক্লাস বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। তারপর থেকেই ক্লাবঘরে অস্থায়ীভাবে চলছে স্কুল।মিড-ডে মিল নিয়েও রয়েছে পরিকাঠামোগত সমস্যা। উপযুক্ত রান্নাঘর না থাকায় ক্লাবের বাইরে ত্রিপল টাঙিয়ে রান্না করতে হয়। খাওয়াদাওয়া শেষ হলে ফের ঘর পরিষ্কার করে সেখানে ক্লাস নেওয়া হয়।
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি, নতুন স্কুল ভবনের জন্য প্রশাসনের তরফে একাধিকবার এলাকা পরিদর্শন হলেও এখনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। বিধায়ক বলেন, চার বছর ধরে ক্লাবঘরে শিশুদের পড়াশোনা চলা উচিত নয়। শ্যামপুর-১-এর বিডিওকে বিষয়টি দেখার পাশাপাশি পড়ুয়াদের স্বচ্ছন্দে পড়াশোনার জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।চাইলে শিরোনামটাও আরও আকর্ষণীয় কিন্তু নিরপেক্ষ সংবাদপত্রের ঢঙে ৫–৬টি বিকল্প দিতে পারি।
নতুন গতি 


























