০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘জিন-জাদুর চিকিৎসা’র নামে প্রতারণা! সাগরদিঘীতে পুলিশের জালে ভুয়ো চিকিৎসক 

মুর্শিদাবাদ: সাগরদিঘী ব্লকের পোপাড়া গ্রামে ভুয়ো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তির প্রতারণার চক্রের পর্দাফাঁস করল প্রশাসন। অভিযুক্ত রাজফুল সেখ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ‘তৌহিদ হোমিও ক্লিনিক’ নামে একটি ক্লিনিক পরিচালনা করছিল বলে অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি রোগীদের প্রেসক্রিপশন দেওয়ার পাশাপাশি তথাকথিত ‘জিন-জাদুর কুরআনী চিকিৎসা’-র নামে নানা দাবি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরদিঘী থানার পুলিশ ও সাগরদিঘী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অব হেলথ (বিএমওএইচ)-এর উপস্থিতিতে ক্লিনিকে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তের কাছে চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও বৈধ নথি পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে মাধ্যমিকের শংসাপত্র-সহ একাধিক নথি জাল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেগুলি বাজেয়াপ্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ভুয়ো পরিচয়ে চিকিৎসা এবং মানুষের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার উৎস ও প্রতারণার পরিধি জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘জিন-জাদুর চিকিৎসা’র নামে প্রতারণা! সাগরদিঘীতে পুলিশের জালে ভুয়ো চিকিৎসক 

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

মুর্শিদাবাদ: সাগরদিঘী ব্লকের পোপাড়া গ্রামে ভুয়ো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তির প্রতারণার চক্রের পর্দাফাঁস করল প্রশাসন। অভিযুক্ত রাজফুল সেখ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ‘তৌহিদ হোমিও ক্লিনিক’ নামে একটি ক্লিনিক পরিচালনা করছিল বলে অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি রোগীদের প্রেসক্রিপশন দেওয়ার পাশাপাশি তথাকথিত ‘জিন-জাদুর কুরআনী চিকিৎসা’-র নামে নানা দাবি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরদিঘী থানার পুলিশ ও সাগরদিঘী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অব হেলথ (বিএমওএইচ)-এর উপস্থিতিতে ক্লিনিকে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তের কাছে চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও বৈধ নথি পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে মাধ্যমিকের শংসাপত্র-সহ একাধিক নথি জাল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেগুলি বাজেয়াপ্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ভুয়ো পরিচয়ে চিকিৎসা এবং মানুষের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার উৎস ও প্রতারণার পরিধি জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।