০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

অনাস্থা ভোটে বিরোধীদের ধাক্কা, কলিগ্রামে বহাল তৃণমূলের রেজাউল

মালদা: সংখ্যার অঙ্কে শেষ পর্যন্ত জয় পেল তৃণমূল কংগ্রেস। চাঁচল-১ ব্লকের কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রেজাউল খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। ফলে প্রধান পদে বহাল থাকলেন রেজাউল খান। ২০ সদস্যের গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেস, সিপিএম এবং তৃণমূলের কয়েকজন বিদ্রোহী সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। বৃহস্পতিবার প্রশাসনের উদ্যোগে পঞ্চায়েত ভবনে তলবি সভার মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা যাচাই করা হয়। সভাকে ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। চাঁচল থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন চাঁচলের এসডিপিও সোমনাথ সাহা এবং থানার আইসি জয়দেব ঘোষ। প্রধানকে অপসারণের জন্য ১১ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হলেও অনাস্থার পক্ষে উপস্থিত হন মাত্র ৯ জন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের চার, সিপিএমের দুই এবং তৃণমূলের তিন সদস্য। অন্যদিকে, দলের নির্দেশে বিজেপির তিন সদস্য সভায় অনুপস্থিত থাকেন। ফলে অনাস্থা প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার পর রেজাউল খান বলেন, তিনি আগের মতোই এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাবেন। পাশাপাশি সভায় রাজ্য সরকারের ‘জি রামজি’ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অনাস্থা ভোটে বিরোধীদের ধাক্কা, কলিগ্রামে বহাল তৃণমূলের রেজাউল

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার
মালদা: সংখ্যার অঙ্কে শেষ পর্যন্ত জয় পেল তৃণমূল কংগ্রেস। চাঁচল-১ ব্লকের কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রেজাউল খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। ফলে প্রধান পদে বহাল থাকলেন রেজাউল খান। ২০ সদস্যের গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেস, সিপিএম এবং তৃণমূলের কয়েকজন বিদ্রোহী সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। বৃহস্পতিবার প্রশাসনের উদ্যোগে পঞ্চায়েত ভবনে তলবি সভার মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা যাচাই করা হয়। সভাকে ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। চাঁচল থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন চাঁচলের এসডিপিও সোমনাথ সাহা এবং থানার আইসি জয়দেব ঘোষ। প্রধানকে অপসারণের জন্য ১১ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হলেও অনাস্থার পক্ষে উপস্থিত হন মাত্র ৯ জন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের চার, সিপিএমের দুই এবং তৃণমূলের তিন সদস্য। অন্যদিকে, দলের নির্দেশে বিজেপির তিন সদস্য সভায় অনুপস্থিত থাকেন। ফলে অনাস্থা প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার পর রেজাউল খান বলেন, তিনি আগের মতোই এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাবেন। পাশাপাশি সভায় রাজ্য সরকারের ‘জি রামজি’ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।