দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বুধবার বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে একটা উল্লেখযোগ্য দিন ছিল। ঐদিন ঘটে যায় বহু ঘটনা। বুধবার ছিল রাজ্য সরকারের সরকারি মিটিং। এই আবহেই শিরোনামে ফিরহাদ হাকিম। একদিকে, তাঁর পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা, অন্যদিকে নবান্নের বৈঠকে বুধবার কী হয়েছে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। ফিরহাদের কাজে নাকি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে, এমনটাও শোনা যাচ্ছে।
বুধবার বিকেলে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমে জানান, মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ। কিন্তু ফিরহাদ সেই খবর অস্বীকার করেছেন বলেই জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, দিনকয়েকের মধ্যে ইস্তফা দিতে পারেন তিনি, তবে এখনও পদত্যাগ করেননি। এদিকে, বুধবারই নবান্নের বৈঠকে হাজির হন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করেন বলেও সূত্রের খবর।
সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ উপেক্ষা করেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে এদিন যোগ দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেখানে ফিরহাদকে ‘মেয়র সাহেব’ বলে সম্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী বিধায়কদের আসন থেকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রীদের পাশে বসার ব্যবস্থা করে দেন মহানাগরিককে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সহ একাধিক মন্ত্রী এদিন ফিরহাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। বুধবারের প্রশাসনিক বৈঠকে ফিরহাদকে বক্তৃতা করার সুযোগও দেন শুভেন্দু। সেখানে ফিরহাদ বলেন, হাওড়ায় গঙ্গার তলায় একটি টানেল ও মেট্রোপলিটন-নিউটাউন ফ্লাইওভার তৈরির স্বপ্ন ছিল তাঁর। শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে সেগুলি ‘নোট’ করতে বলেন। যদিও শহরের বেআইনি নির্মাণ নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। ভবিষ্যতে এই ইস্যুতে আরও সতর্ক থাকার কথা বলেছেন তিনি।
নতুন গতি 




















