২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বীরভূমে বক্রেশ্বরে বন্ধ টোল ট্যাক্স, এবার বিনামূল্যে উষ্ণ প্রস্রবণে পুণ্যস্নান

আনজুম মুনির, বীরভূম: রাজ্যের সরকার পরিবর্তন হতেই টোল ট্যাক্স বন্ধ হয়ে গেল সাময়িকভাবে বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত বক্রেশ্বর সতীপিঠে। এই টোল ট্যাক্স আদায় করা হতো বীরভূম জেলা পরিষদের অনুমোদনে একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে। যেখানে উষ্ণ প্রসবণ বা গরম জলে স্নান করতে গেলেও পর্যটকদের, তীর্থযাত্রীদের নগদ ১০ টাকা দিতে হতো এবং চার চাকা দু’চাকা ও বাইরে থেকে আগত টুরিস্ট বাসের জন্যও নির্দিষ্ট পার্কিং চার্জ আলাদা নেওয়া হতো।

এই নিয়মই চলে আসছিল বামফ্রন্ট সরকারের আমল থেকে তৃণমূল সরকারের সদ্য আমল পর্যন্ত। কিন্তু সম্পূর্ণ পট পরিবর্তন হয়ে গেল ৪ই মে ২০২৬এ বিজেপি সরকার ক্ষমতার আশার কয়েকদিনের মধ্যেই। বন্ধ হয়ে গেল সম্পূর্ণ টোল আদায় এবং উষ্ণ প্রসবণে স্নান করার প্রবেশ মূল্য। তীর্থযাত্রীদের এখন আর দিতে হচ্ছে না কোনরকম গাড়ি পার্কিং চার্জ এবং উষ্ণ প্রসবনের স্নান করার প্রবেশ মূল্য। খুশি পর্যটক তীর্থযাত্রী এবং বক্রেশ্বর সহ আশেপাশের এলাকার মানুষজন।

অন্যদিকে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথেই টোল আদায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য এলাকার মানুষের মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে তাহলে কি এতদিন ঘুরপথে জেলা পরিষদের উচ্চপদের কাউকে খুশি করে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই নিজেরাই নিয়ম তৈরি করে হাজার হাজার টাকা তোলা হচ্ছিল ঘুরপথে তীর্থযাত্রীদের কাছে থেকে? নাকি জেলা পরিষদকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে কয়েকজন প্রভাবশালী যুবক জনগণকে ঠকিয়ে হাজার হাজার টাকা বিপথে রোজগার করছিল? তাই স্বাভাবিকভাবে এই বক্কেশ্বরকে কেন্দ্র করে বহু প্রশ্ন আজ মানুষের মনে। সে প্রশ্নের উত্তর সাধারণ মানুষ জানতে পারবে নতুন সরকারের কাছে কাদের ছত্রছায়ায় প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে এই ব্যবসা চলছিল। এলাকার মানুষ আরো আশাবাদী শীঘ্রই বিজেপি সরকার বক্রেশ্বরের টোল ট্যাক্সের বিষয়ে তদন্ত শুরু করুক প্রশাসনিকভাবে এবং একান্ন সতীপীঠের অন্যতম এই বক্রেশ্বর সতী পীঠকে সাজিয়ে তুলুক। যাতে পর্যটনের মানচিত্রে বক্রেশ্বর পর্যটন কেন্দ্র ও সতীপীঠ এক উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করতে পারে এবং প্রশাসনিক তৎপরতার সাথেই দীর্ঘদিনের বক্রেশ্বরকে কেন্দ্র করে ঘুঘুর বাসা ভেঙ্গে ফেলা হয়।

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমে বক্রেশ্বরে বন্ধ টোল ট্যাক্স, এবার বিনামূল্যে উষ্ণ প্রস্রবণে পুণ্যস্নান

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির, বীরভূম: রাজ্যের সরকার পরিবর্তন হতেই টোল ট্যাক্স বন্ধ হয়ে গেল সাময়িকভাবে বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত বক্রেশ্বর সতীপিঠে। এই টোল ট্যাক্স আদায় করা হতো বীরভূম জেলা পরিষদের অনুমোদনে একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে। যেখানে উষ্ণ প্রসবণ বা গরম জলে স্নান করতে গেলেও পর্যটকদের, তীর্থযাত্রীদের নগদ ১০ টাকা দিতে হতো এবং চার চাকা দু’চাকা ও বাইরে থেকে আগত টুরিস্ট বাসের জন্যও নির্দিষ্ট পার্কিং চার্জ আলাদা নেওয়া হতো।

এই নিয়মই চলে আসছিল বামফ্রন্ট সরকারের আমল থেকে তৃণমূল সরকারের সদ্য আমল পর্যন্ত। কিন্তু সম্পূর্ণ পট পরিবর্তন হয়ে গেল ৪ই মে ২০২৬এ বিজেপি সরকার ক্ষমতার আশার কয়েকদিনের মধ্যেই। বন্ধ হয়ে গেল সম্পূর্ণ টোল আদায় এবং উষ্ণ প্রসবণে স্নান করার প্রবেশ মূল্য। তীর্থযাত্রীদের এখন আর দিতে হচ্ছে না কোনরকম গাড়ি পার্কিং চার্জ এবং উষ্ণ প্রসবনের স্নান করার প্রবেশ মূল্য। খুশি পর্যটক তীর্থযাত্রী এবং বক্রেশ্বর সহ আশেপাশের এলাকার মানুষজন।

অন্যদিকে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথেই টোল আদায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য এলাকার মানুষের মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে তাহলে কি এতদিন ঘুরপথে জেলা পরিষদের উচ্চপদের কাউকে খুশি করে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই নিজেরাই নিয়ম তৈরি করে হাজার হাজার টাকা তোলা হচ্ছিল ঘুরপথে তীর্থযাত্রীদের কাছে থেকে? নাকি জেলা পরিষদকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে কয়েকজন প্রভাবশালী যুবক জনগণকে ঠকিয়ে হাজার হাজার টাকা বিপথে রোজগার করছিল? তাই স্বাভাবিকভাবে এই বক্কেশ্বরকে কেন্দ্র করে বহু প্রশ্ন আজ মানুষের মনে। সে প্রশ্নের উত্তর সাধারণ মানুষ জানতে পারবে নতুন সরকারের কাছে কাদের ছত্রছায়ায় প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে এই ব্যবসা চলছিল। এলাকার মানুষ আরো আশাবাদী শীঘ্রই বিজেপি সরকার বক্রেশ্বরের টোল ট্যাক্সের বিষয়ে তদন্ত শুরু করুক প্রশাসনিকভাবে এবং একান্ন সতীপীঠের অন্যতম এই বক্রেশ্বর সতী পীঠকে সাজিয়ে তুলুক। যাতে পর্যটনের মানচিত্রে বক্রেশ্বর পর্যটন কেন্দ্র ও সতীপীঠ এক উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করতে পারে এবং প্রশাসনিক তৎপরতার সাথেই দীর্ঘদিনের বক্রেশ্বরকে কেন্দ্র করে ঘুঘুর বাসা ভেঙ্গে ফেলা হয়।