২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

হুগলির পুইনানে বিশ্ব ইজতেমায় জুম্মার নামাজে লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শেখ সিরাজ : ২৬ শে ডিসেম্বর জুম্মাবার হুগলির দাদপুর পুইনানের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম জুম্মার নামাজ লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো। এত বিশাল ধর্মপ্রাণ মানুষের এই জামাতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ও এ রাজ্যের বাইরে ও অন্যান্য রাজ্য অন্যান্য ও দিল্লি থেকে বহু ধর্মপ্রান পরহেজগার মেহমান এই নামাজে মিলিত হন। হাওড়া বর্ধমান কর্ড লাইনের ধনিয়াখালি স্টেশন থেকে ৮ কিলোমিটার এবং হাওড়া বর্ধমান মেনলাইনের মেন লাইন চুঁচুড়া স্টেশন থেকে 18 কিমি দূরে অবস্থিত, দাদপুর পুই নানে কলকাতা দূর্গাপুর হাইরোডের মহেশ্বর পুর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে এই বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২৬ ডিসেম্বর জুম্মার প্রথম জুম্মায় প্রায় 2 লাখ নামাজি শামিল হয়েছেন। এর পরের জুম্মা ইজতেমার প্রথম দিন দুই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। হুগলির দাদপুর পুইনানে এই ইজতেমা উপলক্ষে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় ইশতে মা স্থল নিরাপত্তার চাদরে মোড়া হয়েছে। এখানে অগ্নি নির্বাপনের উচ্চ আধিকারিকগন স্বাস্থ্য ও পানীয় জলের ব্যাপারে উচ্চপ্রদস্থ আধিকারীদের নেতৃত্বে বহু কর্মকর্তা নিযুক্ত রয়েছেন। মূল ইস্তেমার দুই, তিন, চার ও পাঁচই জানুয়ারির জন্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যাপক ইলাহী ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইজতেমা স্থলে মুসল্লিদের সুবিধার জন্য ৩২ হাজার টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় ৪ লক্ষ নামাজী একসাথে অজু করতে পারবেন সেই রকমই ব্যবস্থা আছে বলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানালেন। এছাড়া ৪৪০ টি স্থানে সমগ্র জামাতি ভাইয়েদের খাওয়ার জন্য রান্নার ঘর রয়েছে। এগারোটা পার্কিংয়ে প্রায় ৬৫ হাজার বড় গাড়ি রাখার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া ৮০ হাজার মাঝারি চারচাকা গাড়ি, ও দুই লাখ মোটরবাইক রাখার সংস্থান আছে। বিদেশ থেকে কয়েক হাজার ভিনদেশী জামাতী ভাইয়েরা এখানে আসছেন বলে কর্ম কর্তাদের বিশেষ সূত্রে জানা যায়।
বিশ্ব ইজতেমা স্থলে প্রায় ১০ লক্ষ ২৫ হাজার জামাতি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানা গেল।। হুগলি জেলার দাদপুর পুইনানের এই বিশ্ব ইজতেমায় ১০০ টি শেড বা ছাউনিতে মেহমানদের থাকার ব্যবস্থা আছে। আর ১০০ টি কান্টিংয়ে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার নিজস্ব ক্যাম্প আছে। সব মিলিয়ে, হুগলির দাদপুর পুইনানের বিশ্ব ইজতেমায় ব্যাপক জমজমাট ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হুগলির পুইনানে বিশ্ব ইজতেমায় জুম্মার নামাজে লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার

শেখ সিরাজ : ২৬ শে ডিসেম্বর জুম্মাবার হুগলির দাদপুর পুইনানের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম জুম্মার নামাজ লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো। এত বিশাল ধর্মপ্রাণ মানুষের এই জামাতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ও এ রাজ্যের বাইরে ও অন্যান্য রাজ্য অন্যান্য ও দিল্লি থেকে বহু ধর্মপ্রান পরহেজগার মেহমান এই নামাজে মিলিত হন। হাওড়া বর্ধমান কর্ড লাইনের ধনিয়াখালি স্টেশন থেকে ৮ কিলোমিটার এবং হাওড়া বর্ধমান মেনলাইনের মেন লাইন চুঁচুড়া স্টেশন থেকে 18 কিমি দূরে অবস্থিত, দাদপুর পুই নানে কলকাতা দূর্গাপুর হাইরোডের মহেশ্বর পুর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে এই বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২৬ ডিসেম্বর জুম্মার প্রথম জুম্মায় প্রায় 2 লাখ নামাজি শামিল হয়েছেন। এর পরের জুম্মা ইজতেমার প্রথম দিন দুই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। হুগলির দাদপুর পুইনানে এই ইজতেমা উপলক্ষে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় ইশতে মা স্থল নিরাপত্তার চাদরে মোড়া হয়েছে। এখানে অগ্নি নির্বাপনের উচ্চ আধিকারিকগন স্বাস্থ্য ও পানীয় জলের ব্যাপারে উচ্চপ্রদস্থ আধিকারীদের নেতৃত্বে বহু কর্মকর্তা নিযুক্ত রয়েছেন। মূল ইস্তেমার দুই, তিন, চার ও পাঁচই জানুয়ারির জন্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যাপক ইলাহী ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইজতেমা স্থলে মুসল্লিদের সুবিধার জন্য ৩২ হাজার টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় ৪ লক্ষ নামাজী একসাথে অজু করতে পারবেন সেই রকমই ব্যবস্থা আছে বলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানালেন। এছাড়া ৪৪০ টি স্থানে সমগ্র জামাতি ভাইয়েদের খাওয়ার জন্য রান্নার ঘর রয়েছে। এগারোটা পার্কিংয়ে প্রায় ৬৫ হাজার বড় গাড়ি রাখার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া ৮০ হাজার মাঝারি চারচাকা গাড়ি, ও দুই লাখ মোটরবাইক রাখার সংস্থান আছে। বিদেশ থেকে কয়েক হাজার ভিনদেশী জামাতী ভাইয়েরা এখানে আসছেন বলে কর্ম কর্তাদের বিশেষ সূত্রে জানা যায়।
বিশ্ব ইজতেমা স্থলে প্রায় ১০ লক্ষ ২৫ হাজার জামাতি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানা গেল।। হুগলি জেলার দাদপুর পুইনানের এই বিশ্ব ইজতেমায় ১০০ টি শেড বা ছাউনিতে মেহমানদের থাকার ব্যবস্থা আছে। আর ১০০ টি কান্টিংয়ে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার নিজস্ব ক্যাম্প আছে। সব মিলিয়ে, হুগলির দাদপুর পুইনানের বিশ্ব ইজতেমায় ব্যাপক জমজমাট ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে।