২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

মহারাষ্ট্রে দুর্ঘটনায় মৃত্যু রাজনগরের পরিযায়ী শ্রমিকের

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

মহারাষ্ট্রে এক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বীরভূমের রাজনগর ব্লকের চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পদমপুর গ্রামের এক পরিযায়ী শ্রমিকের।
রাজনগরের পদমপুর গ্রামের বছর কুড়ির যুবক বারু পাহাড়িয়া সংসারের হাল ধরতে মাত্র তিন মাস আগে মহারাষ্ট্রে পাড়ি দেয়। মহারাষ্ট্রের পিপলগাঁওয়ে
“কাই মেগা পাওয়ার ইনফা এলএলপি” নামে একটি ইলেকট্রিক কোম্পানিতে সে কাজ পায়। ঝাড়খণ্ডের পরিহারপুরের বাসিন্দা তথা পরিযায়ী শ্রমিক মৃতের জামাইবাবু বলরাম পাহাড়িয়া এবং রানীশ্বরের রাজকুমার রায় জানিয়েছেন
বুধবার সেখানে একটি ইলেকট্রিক টাওয়ারে চেপে বারু পাহাড়িয়া রংয়ের কাজ করছিল। এরপর হঠাৎই সে টাওয়ারের উপর থেকে নিচে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ছুটে আসে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ড থেকে যাওয়া তার পরিচিত কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিক। এরপর তাকে তড়িঘড়ি স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার গভীর রাত্রে ওই যুবকের দেহ গ্রামের বাড়ি বীরভূমের রাজনগরের পদমপুর গ্রামে নিয়ে আসা হয়। ঘটনায় এলাকাবাসীরা শোকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
সঠিক কি কারনে বারু পাহাড়িয়ার মৃত্যু হল তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে জানা যাবে।
এদিকে পুত্রের হঠাৎ মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েন বারু পাহাড়িয়ার মা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন পুত্রের মৃত্যুতে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তাকেও চিকিৎসার জন্য প্রথমে রাজনগর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এরপর সেখান থেকে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মহারাষ্ট্রে দুর্ঘটনায় মৃত্যু রাজনগরের পরিযায়ী শ্রমিকের

আপডেট : ৯ অগাস্ট ২০২৫, শনিবার

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

মহারাষ্ট্রে এক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বীরভূমের রাজনগর ব্লকের চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পদমপুর গ্রামের এক পরিযায়ী শ্রমিকের।
রাজনগরের পদমপুর গ্রামের বছর কুড়ির যুবক বারু পাহাড়িয়া সংসারের হাল ধরতে মাত্র তিন মাস আগে মহারাষ্ট্রে পাড়ি দেয়। মহারাষ্ট্রের পিপলগাঁওয়ে
“কাই মেগা পাওয়ার ইনফা এলএলপি” নামে একটি ইলেকট্রিক কোম্পানিতে সে কাজ পায়। ঝাড়খণ্ডের পরিহারপুরের বাসিন্দা তথা পরিযায়ী শ্রমিক মৃতের জামাইবাবু বলরাম পাহাড়িয়া এবং রানীশ্বরের রাজকুমার রায় জানিয়েছেন
বুধবার সেখানে একটি ইলেকট্রিক টাওয়ারে চেপে বারু পাহাড়িয়া রংয়ের কাজ করছিল। এরপর হঠাৎই সে টাওয়ারের উপর থেকে নিচে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ছুটে আসে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ড থেকে যাওয়া তার পরিচিত কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিক। এরপর তাকে তড়িঘড়ি স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার গভীর রাত্রে ওই যুবকের দেহ গ্রামের বাড়ি বীরভূমের রাজনগরের পদমপুর গ্রামে নিয়ে আসা হয়। ঘটনায় এলাকাবাসীরা শোকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
সঠিক কি কারনে বারু পাহাড়িয়ার মৃত্যু হল তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে জানা যাবে।
এদিকে পুত্রের হঠাৎ মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েন বারু পাহাড়িয়ার মা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন পুত্রের মৃত্যুতে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তাকেও চিকিৎসার জন্য প্রথমে রাজনগর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এরপর সেখান থেকে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।