২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

আচমকা অসুস্থ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, হাসপাতালে বেডে বসে দিতে হল পরীক্ষা

আজিজুর রহমান, গলসি : এক হাতে সেলাইন, আর অন্য হাতে পেন—হাসপাতালের বেডে বসেই মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা দিল গলসির মিঠাপুর শ্রীদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী রিয়া রায়। সে শিকারপুর গ্রামের বাসিন্দা। আদড়াহাটি বি.এস. শিক্ষানিকেতনে মাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়েছিল রিয়ার।

এদিন মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। এরপর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও গলসি থানার পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসা শুরু হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই সুস্থ বোধ করলে, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সে আবার পরীক্ষা দিতে শুরু করে।

খবর পেয়ে গলসি থানার ওসি অরুণ কুমার সোম ও মিঠাপুর শ্রীদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক মল্লিক হাসপাতালে আসেন।

আদড়াহাটি বি.এস. শিক্ষানিকেতনের প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র দে জানান, পরীক্ষা শুরু হওয়ার চল্লিশ মিনিট পর রিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং বোর্ডের নিয়ম মেনে তার পরীক্ষা দেবার ব্যবস্থা করা হয়।

চিকিৎসক ডাঃ তড়িৎ চ্যাটার্জি জানান, রিয়া যখন হাসপাতালে আসে, তখন সে খুব ছটফট করছিল ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। চিকিৎসা শুরু করার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই সে সুস্থ বোধ করে।

মিঠাপুর শ্রীদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক মল্লিক বলেন, থানার ওসি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের ধন্যবাদ। তাদের সহযোগিতার জন্যই রিয়া পরীক্ষায় বসতে পেরেছে।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আচমকা অসুস্থ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, হাসপাতালে বেডে বসে দিতে হল পরীক্ষা

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, শনিবার

আজিজুর রহমান, গলসি : এক হাতে সেলাইন, আর অন্য হাতে পেন—হাসপাতালের বেডে বসেই মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা দিল গলসির মিঠাপুর শ্রীদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী রিয়া রায়। সে শিকারপুর গ্রামের বাসিন্দা। আদড়াহাটি বি.এস. শিক্ষানিকেতনে মাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়েছিল রিয়ার।

এদিন মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। এরপর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও গলসি থানার পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসা শুরু হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই সুস্থ বোধ করলে, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সে আবার পরীক্ষা দিতে শুরু করে।

খবর পেয়ে গলসি থানার ওসি অরুণ কুমার সোম ও মিঠাপুর শ্রীদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক মল্লিক হাসপাতালে আসেন।

আদড়াহাটি বি.এস. শিক্ষানিকেতনের প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র দে জানান, পরীক্ষা শুরু হওয়ার চল্লিশ মিনিট পর রিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং বোর্ডের নিয়ম মেনে তার পরীক্ষা দেবার ব্যবস্থা করা হয়।

চিকিৎসক ডাঃ তড়িৎ চ্যাটার্জি জানান, রিয়া যখন হাসপাতালে আসে, তখন সে খুব ছটফট করছিল ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। চিকিৎসা শুরু করার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই সে সুস্থ বোধ করে।

মিঠাপুর শ্রীদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক মল্লিক বলেন, থানার ওসি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের ধন্যবাদ। তাদের সহযোগিতার জন্যই রিয়া পরীক্ষায় বসতে পেরেছে।