২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

“আমরা পুজো করি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করি না”- কান্দি ও জঙ্গিপুরের সভা থেকে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

জাকির হোসেন সেখ, নতুন গতি: এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস যে উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদকেও পাখির চোখ করে এগোচ্ছে, এদিনের দু দুটো সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যই তা স্পষ্ট করল।

মুর্শিদাবাদ জেলার যেসব জায়গা বাম-কংগ্রেসের একসময়ের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিতি ছিল, সেইসব জায়গায় তৃণমূলনেত্রী যে ভোট প্রচারে অত্যন্ত জোর দিচ্ছেন, এক‌ই দিনে কান্দি এবং জঙ্গিপুরের মতন জায়গায় পরপর দু’টো সভা করে বুঝিয়ে দিলেন তৃনমূল সুপ্রিমো।

অধীর দুর্গ বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদের কান্দি ও জঙ্গিপুরের দুটো সভা থেকেই। আজ মমতা বলেন, “মুর্শিদাবাদে সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি একজোট হয়ে লড়াই করছে। এই অশুভ জোটের বিরুদ্ধে তৃনমূলের জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিতে হবে।”
তিনি বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, ‘’আমরা পুজো করি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করি না।” বাংলায় মা মাটি মানুষের সরকারই ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখেছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। বক্তব্যের বিষয় প্রসঙ্গে একসময় তাঁকে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” কলেমা উচ্চারণ করতেও শোনা যায়।
এদিনের দুটো সভা থেকেই এনআরসি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, “তৃণমূলই আগামী দিনে ভারতে সরকার গড়বে।”

বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণে গিয়ে তিনি বলেন, “দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর একমাত্র দল হচ্ছে বিজেপি।” তারপর বলেন, ‘’আগে বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর সময়ে মায়েরা গান গাইতেন – ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এল দেশে। বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে। আর এখন গান গাওয়া হয়– ছেলে ঘুমলো, পাড়া জুড়ালো, মোদি এল দেশে, সব লোকেরা ভয়ে বলে, বাঁচব আমি কিসে ?”

জঙ্গিপুরের সভা থেকে তিনি হিসেব কষে দেখিয়ে বলেন, “এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রে কোনওভাবেই ক্ষমতায় আসতে পারবে না বিজেপি।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“আমরা পুজো করি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করি না”- কান্দি ও জঙ্গিপুরের সভা থেকে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার

জাকির হোসেন সেখ, নতুন গতি: এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস যে উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদকেও পাখির চোখ করে এগোচ্ছে, এদিনের দু দুটো সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যই তা স্পষ্ট করল।

মুর্শিদাবাদ জেলার যেসব জায়গা বাম-কংগ্রেসের একসময়ের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিতি ছিল, সেইসব জায়গায় তৃণমূলনেত্রী যে ভোট প্রচারে অত্যন্ত জোর দিচ্ছেন, এক‌ই দিনে কান্দি এবং জঙ্গিপুরের মতন জায়গায় পরপর দু’টো সভা করে বুঝিয়ে দিলেন তৃনমূল সুপ্রিমো।

অধীর দুর্গ বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদের কান্দি ও জঙ্গিপুরের দুটো সভা থেকেই। আজ মমতা বলেন, “মুর্শিদাবাদে সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি একজোট হয়ে লড়াই করছে। এই অশুভ জোটের বিরুদ্ধে তৃনমূলের জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিতে হবে।”
তিনি বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, ‘’আমরা পুজো করি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করি না।” বাংলায় মা মাটি মানুষের সরকারই ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখেছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। বক্তব্যের বিষয় প্রসঙ্গে একসময় তাঁকে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” কলেমা উচ্চারণ করতেও শোনা যায়।
এদিনের দুটো সভা থেকেই এনআরসি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, “তৃণমূলই আগামী দিনে ভারতে সরকার গড়বে।”

বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণে গিয়ে তিনি বলেন, “দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর একমাত্র দল হচ্ছে বিজেপি।” তারপর বলেন, ‘’আগে বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর সময়ে মায়েরা গান গাইতেন – ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এল দেশে। বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে। আর এখন গান গাওয়া হয়– ছেলে ঘুমলো, পাড়া জুড়ালো, মোদি এল দেশে, সব লোকেরা ভয়ে বলে, বাঁচব আমি কিসে ?”

জঙ্গিপুরের সভা থেকে তিনি হিসেব কষে দেখিয়ে বলেন, “এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রে কোনওভাবেই ক্ষমতায় আসতে পারবে না বিজেপি।”