২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

রক্তদান সাগরদিঘীর দুই যুবকের।

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার
  • 8

সংবাদদাতা : বহরমপুরের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন এক রোগী সুশান্ত ফুলমালির জরুরী ২ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন ছিল। রক্তের জোগান না পেয়ে উনারা সাগরদিঘির অন্যতম রক্তযোদ্ধা ও উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সম্পাদক সঞ্জীব দাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই ট্রাস্ট এর সম্পাদক সঞ্জীব দাস আরেক সদস্য বিশ্বজিৎ সাহা ও বিশাল ফুলমালিকে নিয়ে এই তীব্র গরমকে উপেক্ষা করেই বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন রক্তদানের জন্য। বহরমপুর পৌঁছে তিন জনে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত দান করেন। পরে সেই রক্ত রোগীর উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। ইনিই সেই রক্তযোদ্ধা সঞ্জীব যিনি সাগরদিঘীর বুকে সর্বপ্রথম কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করেও যে রক্তদান করা যায় এই ভাবনা সবার মধ্যে জাগিয়েছিলেন। বছরের প্রায় ৩৬৫ দিনই তিনি রক্তদান সংক্রান্ত কোনো না কোনো কর্মসূচীর সাথে যুক্ত থাকেন। ট্রাস্ট এর সম্পাদক সঞ্জীব দাস বলেন “এখন প্রায় সব সময় ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট,সাগরদিঘীতে প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন রোগীদের রক্তের যোগান দিয়ে থাকি, তবে মাঝেমধ্যেই সাগরদিঘির বাইরেও এভাবে আমাদের আসতে হয় রোগীর পরিবারের ডাকে। আমরা সব সময় চেষ্টা করি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এবং আপনাদের মাধ্যমে আমরা সকলকে অনুরোধ জানাই রক্তদানে যেনো আরো আরো মানুষ এগিয়ে আসেন যাতে করে ব্লাড ব্যাংকগুলিতে রক্তদানের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রক্তদান সাগরদিঘীর দুই যুবকের।

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার

সংবাদদাতা : বহরমপুরের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন এক রোগী সুশান্ত ফুলমালির জরুরী ২ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন ছিল। রক্তের জোগান না পেয়ে উনারা সাগরদিঘির অন্যতম রক্তযোদ্ধা ও উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সম্পাদক সঞ্জীব দাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই ট্রাস্ট এর সম্পাদক সঞ্জীব দাস আরেক সদস্য বিশ্বজিৎ সাহা ও বিশাল ফুলমালিকে নিয়ে এই তীব্র গরমকে উপেক্ষা করেই বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন রক্তদানের জন্য। বহরমপুর পৌঁছে তিন জনে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত দান করেন। পরে সেই রক্ত রোগীর উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। ইনিই সেই রক্তযোদ্ধা সঞ্জীব যিনি সাগরদিঘীর বুকে সর্বপ্রথম কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করেও যে রক্তদান করা যায় এই ভাবনা সবার মধ্যে জাগিয়েছিলেন। বছরের প্রায় ৩৬৫ দিনই তিনি রক্তদান সংক্রান্ত কোনো না কোনো কর্মসূচীর সাথে যুক্ত থাকেন। ট্রাস্ট এর সম্পাদক সঞ্জীব দাস বলেন “এখন প্রায় সব সময় ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট,সাগরদিঘীতে প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন রোগীদের রক্তের যোগান দিয়ে থাকি, তবে মাঝেমধ্যেই সাগরদিঘির বাইরেও এভাবে আমাদের আসতে হয় রোগীর পরিবারের ডাকে। আমরা সব সময় চেষ্টা করি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এবং আপনাদের মাধ্যমে আমরা সকলকে অনুরোধ জানাই রক্তদানে যেনো আরো আরো মানুষ এগিয়ে আসেন যাতে করে ব্লাড ব্যাংকগুলিতে রক্তদানের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।”