২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

দুস্থ প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রাদন

আজিজুর রহমান, গলসি : প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রাদন করলো গলসি বর্ধমান আব্দুল কালাম ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিন বৈকালে সংস্থার সদস্যরা গলসি থানার শ্রীধরপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী কেয়া নায়েক এর বাড়িতে যান। সেখানেই তার হাতে হুইল চেয়ার তুলে দেওয়া হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ওই কাজে খুশি হয়েছেন কেয়ার পরিবারের লোকেরা। তার বাবা শ্যামপদ নায়েক বলেন, আমি অনেক জায়গায় একটি হুইল চেয়ারের সাহায্য করেছি। কোথাও ব্যবস্থা করতে পারিনি। এনারা আজকে হুইল চেয়ারটি দেওয়াতে আমার মেয়ের অনেকটা সুবিধা হবে। কারন সে হাঁটাচলা করতে পারে না। এক জায়গায় বসে থাকে। বর্তমানে হুইলচেয়ারটি পাওয়ায় আমার মেয়ের সাথে সাথে আমিও বেশ খুশি হয়েছি। ওনাদের এমন কাজের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সংস্থার সদস্য মফিজুল আলম বলেন, ওনারা সরকারি ভাবে প্রচেষ্টা করেছিলেন। তবে সেখান থেকে না পাওয়ায় তাদের সদস্যেরা মিলিত হয়ে ওই হুইল চেয়ারটি দান করেছেন। এটা পাওয়ায় কেয়া নায়েককে আর বাড়িতে বন্দি থাকতে হবে না। তিনি এখন বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুস্থ প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রাদন

আপডেট : ২৪ জুন ২০২৪, সোমবার

আজিজুর রহমান, গলসি : প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রাদন করলো গলসি বর্ধমান আব্দুল কালাম ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিন বৈকালে সংস্থার সদস্যরা গলসি থানার শ্রীধরপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী কেয়া নায়েক এর বাড়িতে যান। সেখানেই তার হাতে হুইল চেয়ার তুলে দেওয়া হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ওই কাজে খুশি হয়েছেন কেয়ার পরিবারের লোকেরা। তার বাবা শ্যামপদ নায়েক বলেন, আমি অনেক জায়গায় একটি হুইল চেয়ারের সাহায্য করেছি। কোথাও ব্যবস্থা করতে পারিনি। এনারা আজকে হুইল চেয়ারটি দেওয়াতে আমার মেয়ের অনেকটা সুবিধা হবে। কারন সে হাঁটাচলা করতে পারে না। এক জায়গায় বসে থাকে। বর্তমানে হুইলচেয়ারটি পাওয়ায় আমার মেয়ের সাথে সাথে আমিও বেশ খুশি হয়েছি। ওনাদের এমন কাজের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সংস্থার সদস্য মফিজুল আলম বলেন, ওনারা সরকারি ভাবে প্রচেষ্টা করেছিলেন। তবে সেখান থেকে না পাওয়ায় তাদের সদস্যেরা মিলিত হয়ে ওই হুইল চেয়ারটি দান করেছেন। এটা পাওয়ায় কেয়া নায়েককে আর বাড়িতে বন্দি থাকতে হবে না। তিনি এখন বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন।