২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নিখরচায় সরকারি বিদ্যালয়ে আলপনা সাজালেন জাহাঙ্গীর

আজিজুর রহমান,গলসি : গলসি ১ নং ব্লকের শিড়রাই আলিজান হাইস্কুলে আলপনা সাজালেন এলাকার অঙ্কন শিক্ষক জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার শিক্ষার্থী শিল্পীরা। স্কুলের ৭৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে বুধবার মহতী একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে স্কুল কতৃপক্ষ। আজই সেই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। দিনগুলিকে আনন্দ মুখর করতে বিভিন্ন কর্মসূচিও নিয়েছেন আয়োজকরা। তাদের কাজের সৌন্দর্য্য বাড়াতে এগিয়ে এলেন এলাকার অঙ্কন শিক্ষক জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার শিক্ষার্থীরা। তারা স্কুল চত্বরকে বিভিন্ন কালারের রং দিয়ে সাজিয়ে তুললেন। বিনামূল্যে তার এমন কাজের জন্য আগেও প্রশংসিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর। এর আগে তিনি গলসি থানা ও পুরসা হাসপাতালে নিখরচায় রং তুলি দিয়ে ওই কাজ করেছেন। জাহাঙ্গীর বলেন, থানা, হাসপাতাল ও স্কুল এগুলি আমাদের গলসির সম্পদ। তাই এই জায়গা গুলি আমাদের সাজাতে ভালোলাগে। এখান থেকে উপার্জন না হলেও ভালবাসা পাই। তাছাড়া শিল্পীরা সবকিছুতে অর্থ খোঁজেনা। আমার অনেক ছাত্র পেশাদারী ভাবে লেখালেখির কাজ করে। তারাও এইসব জায়গায় এলে বিনা খরচেই কাজ করে। জাহাঙ্গীর ও তার শিক্ষার্থীদের এমন কাজের প্রশংসা করেছেন গ্রামের বহু মানুষ।

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিখরচায় সরকারি বিদ্যালয়ে আলপনা সাজালেন জাহাঙ্গীর

আপডেট : ৯ জানুয়ারী ২০২৪, মঙ্গলবার

আজিজুর রহমান,গলসি : গলসি ১ নং ব্লকের শিড়রাই আলিজান হাইস্কুলে আলপনা সাজালেন এলাকার অঙ্কন শিক্ষক জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার শিক্ষার্থী শিল্পীরা। স্কুলের ৭৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে বুধবার মহতী একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে স্কুল কতৃপক্ষ। আজই সেই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। দিনগুলিকে আনন্দ মুখর করতে বিভিন্ন কর্মসূচিও নিয়েছেন আয়োজকরা। তাদের কাজের সৌন্দর্য্য বাড়াতে এগিয়ে এলেন এলাকার অঙ্কন শিক্ষক জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার শিক্ষার্থীরা। তারা স্কুল চত্বরকে বিভিন্ন কালারের রং দিয়ে সাজিয়ে তুললেন। বিনামূল্যে তার এমন কাজের জন্য আগেও প্রশংসিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর। এর আগে তিনি গলসি থানা ও পুরসা হাসপাতালে নিখরচায় রং তুলি দিয়ে ওই কাজ করেছেন। জাহাঙ্গীর বলেন, থানা, হাসপাতাল ও স্কুল এগুলি আমাদের গলসির সম্পদ। তাই এই জায়গা গুলি আমাদের সাজাতে ভালোলাগে। এখান থেকে উপার্জন না হলেও ভালবাসা পাই। তাছাড়া শিল্পীরা সবকিছুতে অর্থ খোঁজেনা। আমার অনেক ছাত্র পেশাদারী ভাবে লেখালেখির কাজ করে। তারাও এইসব জায়গায় এলে বিনা খরচেই কাজ করে। জাহাঙ্গীর ও তার শিক্ষার্থীদের এমন কাজের প্রশংসা করেছেন গ্রামের বহু মানুষ।