২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চন্দননগর বইমেলায় প্রথমবারের মতো হিন্দি উর্দু কবি সম্মেলন।

লুতুব আলি, নতুন গতি : চন্দননগর বইমেলায় প্রথমবারের মতো হিন্দি উর্দু কবি সম্মেলন। হুগলি জেলার চন্দননগর একটি জনপদ । বাংলা ভাষার হিন্দি উর্দু ভাষায় কথা বলার লোকের সংখ্যাও ভালো। এ কারণেই চন্দননগরের ইস্পাত সংঘ গত ২৩ বছর ধরে বইমেলার আয়োজন করে আসছে। প্রতিবছর বাংলা সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, কবিতা সম্মেলন ও আবৃত্তি অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। এবারই এই প্রথম যখন ইস্পাত সংঘের সদস্যরাও হিন্দি ও উর্দু ভাষাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। হিন্দি ও উর্দু কবি সম্মেলনের আহ্বায়ক করা হয় গোপাল শুক্লাকে। গোপাল শুক্লা বঙ্গীয় ভাষা সেতুর প্রতিষ্ঠাতা মুরালি চৌধুরীর সহায়তায় অনুষ্ঠানটিকে একটি অর্থবহ আকার দেন। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় মঞ্জু বেজের সরস্বতী বন্দনার মধ্য দিয়ে, যিনি কবিতা, গজল ও গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আলোড়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। অভি সম্মেলনের সভাপতি তো করেন ভারতীয় রেলের রাজ ভাষা সমন্বয়কারী রঞ্জিত প্রসাদ। ভারতীয় রেলের হাওড়া বিভাগের টিকিট মহাপরিদর্শক মহেন্দ্র প্রসাদ, ডক্টর শহীদ ফারুগী, বৈজু প্রসাদ, সুশীল কুমার শর্মা, যদুনন্দন প্রসাদ এবং অন্যান্যরা কবিতা ও গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সঞ্চালনা করেন গোপাল শুক্লা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চন্দননগর বইমেলায় প্রথমবারের মতো হিন্দি উর্দু কবি সম্মেলন।

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার

লুতুব আলি, নতুন গতি : চন্দননগর বইমেলায় প্রথমবারের মতো হিন্দি উর্দু কবি সম্মেলন। হুগলি জেলার চন্দননগর একটি জনপদ । বাংলা ভাষার হিন্দি উর্দু ভাষায় কথা বলার লোকের সংখ্যাও ভালো। এ কারণেই চন্দননগরের ইস্পাত সংঘ গত ২৩ বছর ধরে বইমেলার আয়োজন করে আসছে। প্রতিবছর বাংলা সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, কবিতা সম্মেলন ও আবৃত্তি অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। এবারই এই প্রথম যখন ইস্পাত সংঘের সদস্যরাও হিন্দি ও উর্দু ভাষাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। হিন্দি ও উর্দু কবি সম্মেলনের আহ্বায়ক করা হয় গোপাল শুক্লাকে। গোপাল শুক্লা বঙ্গীয় ভাষা সেতুর প্রতিষ্ঠাতা মুরালি চৌধুরীর সহায়তায় অনুষ্ঠানটিকে একটি অর্থবহ আকার দেন। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় মঞ্জু বেজের সরস্বতী বন্দনার মধ্য দিয়ে, যিনি কবিতা, গজল ও গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আলোড়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। অভি সম্মেলনের সভাপতি তো করেন ভারতীয় রেলের রাজ ভাষা সমন্বয়কারী রঞ্জিত প্রসাদ। ভারতীয় রেলের হাওড়া বিভাগের টিকিট মহাপরিদর্শক মহেন্দ্র প্রসাদ, ডক্টর শহীদ ফারুগী, বৈজু প্রসাদ, সুশীল কুমার শর্মা, যদুনন্দন প্রসাদ এবং অন্যান্যরা কবিতা ও গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সঞ্চালনা করেন গোপাল শুক্লা।