০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

এবারে বিভক্ত শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের আন্দোলনরত ব্যাবসায়ীরা

নিজস্ব সংবাদদাতা :এবারে বিভক্ত শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের আন্দোলনরত ব্যাবসায়ীরা।তাদের আন্দোলন আজ নিয়ে তিনদিনে পড়ল কিন্তুু এখনো বুঝতে পারা গেল না তারা কার বিরুদ্ধে? মেয়র গৌতম দেব না উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তীর।আসলে এই তিনদিনে এইসব আন্দোলনরত দোকানদারদের কাছে আসেন নি কোন তৃণমূল না কোন বিজেপীর নেতা।তাই জনগনের জিঞ্জাসা তবে কি এইসব আন্দোলনরত দোকানদারদের মাথার উপরে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা কোন রাজনৈতিক দলের হাত নেই? তবে এই গুজবকে উড়িয়ে দিচ্ছেন আন্দোলনরত দোকানদারেরা।

তারা জানিয়েছেন আমরা সত্যের জন্য লড়াই করছি,তাই কে আসল কে আসল না সেটা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা নেই।সবচাইতে বড় কথা যেখানে আন্দোলন হচ্ছে তার ঠিক উলটোদিকে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। সেটাও অজ্ঞাতকারনে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিজেপীর এবং তিনি একজন মহিলা। আন্দোলনকারীদের সমর্থন করতে তিনিও এগিয়ে আসেন নি। তাই আন্দোলনকারীদের আন্দোলন কতটা ফলপ্রসু হবে সেটাই এখন দেখার। মেয়রও এই ব্যাপারে মুখে “রা”কাটছেন না।তাই যত দিন যাচ্ছে ততই হতাশ আন্দোলনকারীরা।বসে আছেন উঠে চলে যাওয়া যাবে না,আবার থেকেও কোন লাভ হচ্ছে না।তাই তারা হতাশ।কবে কি হবে বোঝাই যাচ্ছে না, ঘনিষ্ঠ মহলে হতাশা প্রকাশ করছেন তারা।

শ্রীকান্ত বিশ্বের ৯ নম্বর খেলোয়াড় ভিক্টর লাইকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবারে বিভক্ত শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের আন্দোলনরত ব্যাবসায়ীরা

আপডেট : ১৯ মে ২০২৩, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :এবারে বিভক্ত শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের আন্দোলনরত ব্যাবসায়ীরা।তাদের আন্দোলন আজ নিয়ে তিনদিনে পড়ল কিন্তুু এখনো বুঝতে পারা গেল না তারা কার বিরুদ্ধে? মেয়র গৌতম দেব না উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তীর।আসলে এই তিনদিনে এইসব আন্দোলনরত দোকানদারদের কাছে আসেন নি কোন তৃণমূল না কোন বিজেপীর নেতা।তাই জনগনের জিঞ্জাসা তবে কি এইসব আন্দোলনরত দোকানদারদের মাথার উপরে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা কোন রাজনৈতিক দলের হাত নেই? তবে এই গুজবকে উড়িয়ে দিচ্ছেন আন্দোলনরত দোকানদারেরা।

তারা জানিয়েছেন আমরা সত্যের জন্য লড়াই করছি,তাই কে আসল কে আসল না সেটা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা নেই।সবচাইতে বড় কথা যেখানে আন্দোলন হচ্ছে তার ঠিক উলটোদিকে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। সেটাও অজ্ঞাতকারনে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিজেপীর এবং তিনি একজন মহিলা। আন্দোলনকারীদের সমর্থন করতে তিনিও এগিয়ে আসেন নি। তাই আন্দোলনকারীদের আন্দোলন কতটা ফলপ্রসু হবে সেটাই এখন দেখার। মেয়রও এই ব্যাপারে মুখে “রা”কাটছেন না।তাই যত দিন যাচ্ছে ততই হতাশ আন্দোলনকারীরা।বসে আছেন উঠে চলে যাওয়া যাবে না,আবার থেকেও কোন লাভ হচ্ছে না।তাই তারা হতাশ।কবে কি হবে বোঝাই যাচ্ছে না, ঘনিষ্ঠ মহলে হতাশা প্রকাশ করছেন তারা।