২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বাগনানের চা-প্রেমীরা বিশ্ব চা দিবস পালন করলেন।

লুতুব আলি, ১৬ ডিসেম্বর : ১৫ ডিসেম্বর ছিল আন্তর্জাতিক চা দিবস। এদিন সন্ধ্যায় বাগনানে এই দিবসটি পালিত হল। বাগনান বাসস্ট্যান্ডের আমন্ত্রণ হোটেলে চা প্রেমী চন্দ্রনাথ বসুর নেতৃত্বে বিশ্বচা দিবস টি আনন্দমুখর ভাবে পালন হল।উল্লেখ, ২০০৪ সালে বিশ্ব সামাজিক সম্মেলনের পর ভারতের নতুন দিল্লিতে ২০০৫ সালে সর্বপ্রথম বিশ্ব চা দিবস পালিত হয়। তারপর শ্রীলঙ্কা বেশ কয়েকবার বিশ্ব চা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিশ্বে চা উৎপাদনের প্রথম সারিতে আছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কেনিয়া, মালউই, উগান্ডা, তান জানিয়া। মূলত এই দেশগুলি চা শিল্পকে আন্তর্জাতিকীকরণ করার প্রয়াস দেখায়। উদ্দেশ্য : চা কর্মী ও উৎপাদকদের ওপর সরকারের এবং জনগণের দৃষ্টি আরোপ করা। ন্যায্য বাণিজ্যের সংযোগ স্থাপন করার ক্ষেত্রে সরকার যাতে সার্বিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বাগনানের চা প্রেমীরা সম্মিলিতভাবে চা খেলেন এবং এই ঐতিহ্যপূর্ণ দিনটিকে স্মরণ করলেন। চা প্রেমী চন্দ্রনাথ বসু এক সাক্ষাৎকারে এই প্রতিবেদককে জানান, চা এখন সংস্কৃতির অঙ্গনে এসে হাজির হয়েছে। ইদানিংকালে সমগ্র বিশ্বে প্রথমে চা দিয়েই অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। চা এখন শিল্প হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। চন্দ্রনাথ বাবু দিনে ৪০ কাপ করে চা পান করেন। এদিনের চা পানের অনুষ্ঠানে সমাজে র সমস্ত স্তরের মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যরা হলেন, নবাব মল্লিক, মধুসূদন বাগ, লিপিকা বসু, সন্দীপ ঘোষ, সৈকত খাড়া, আকবর মল্লিক প্রমুখ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাগনানের চা-প্রেমীরা বিশ্ব চা দিবস পালন করলেন।

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২২, শুক্রবার

লুতুব আলি, ১৬ ডিসেম্বর : ১৫ ডিসেম্বর ছিল আন্তর্জাতিক চা দিবস। এদিন সন্ধ্যায় বাগনানে এই দিবসটি পালিত হল। বাগনান বাসস্ট্যান্ডের আমন্ত্রণ হোটেলে চা প্রেমী চন্দ্রনাথ বসুর নেতৃত্বে বিশ্বচা দিবস টি আনন্দমুখর ভাবে পালন হল।উল্লেখ, ২০০৪ সালে বিশ্ব সামাজিক সম্মেলনের পর ভারতের নতুন দিল্লিতে ২০০৫ সালে সর্বপ্রথম বিশ্ব চা দিবস পালিত হয়। তারপর শ্রীলঙ্কা বেশ কয়েকবার বিশ্ব চা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিশ্বে চা উৎপাদনের প্রথম সারিতে আছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কেনিয়া, মালউই, উগান্ডা, তান জানিয়া। মূলত এই দেশগুলি চা শিল্পকে আন্তর্জাতিকীকরণ করার প্রয়াস দেখায়। উদ্দেশ্য : চা কর্মী ও উৎপাদকদের ওপর সরকারের এবং জনগণের দৃষ্টি আরোপ করা। ন্যায্য বাণিজ্যের সংযোগ স্থাপন করার ক্ষেত্রে সরকার যাতে সার্বিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বাগনানের চা প্রেমীরা সম্মিলিতভাবে চা খেলেন এবং এই ঐতিহ্যপূর্ণ দিনটিকে স্মরণ করলেন। চা প্রেমী চন্দ্রনাথ বসু এক সাক্ষাৎকারে এই প্রতিবেদককে জানান, চা এখন সংস্কৃতির অঙ্গনে এসে হাজির হয়েছে। ইদানিংকালে সমগ্র বিশ্বে প্রথমে চা দিয়েই অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। চা এখন শিল্প হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। চন্দ্রনাথ বাবু দিনে ৪০ কাপ করে চা পান করেন। এদিনের চা পানের অনুষ্ঠানে সমাজে র সমস্ত স্তরের মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যরা হলেন, নবাব মল্লিক, মধুসূদন বাগ, লিপিকা বসু, সন্দীপ ঘোষ, সৈকত খাড়া, আকবর মল্লিক প্রমুখ।