২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্তম কুমার স্মৃতি বিজড়িত শুটিং স্পট পাল্লা পরিদর্শন ভবনে গরু চড়ছে।

লুতুব আলি, বর্ধমান, ৫ ডিসেম্বর : সত্তর আশি নব্বই এর দশকে বাংলা চলচ্চিত্র শুটিংয়ের অন্যতম স্পট ছিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পাল্লা পরিদর্শন ভবনে। দামোদর নদের এক্কেবারে গা ঘেঁষে পাল্লা পরিদর্শন ভবন রাজ্য সরকারের সেচও জলপথ দপ্তরের অধীন। অভিযোগ : অবহেলার কারণেই পাল্লা পরিদর্শন ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পরিদর্শন ভবনের বাইরে ও ভিতরে গরু-ছাগল চরে বেড়াচ্ছে। জঞ্জালে পরিণত হয়েছে। পাল্লা পরিদর্শন ভবনের উল্টোদিকে দামোদর নদের চর। যথেচ্ছ ভাবে বালি তোলার ফলে চরগুলি দামোদরের জলের তলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। এই এলাকায় একদা মহানায়ক উত্তম কুমার, সুচিত্রা সেন, সুপ্রিয়া দেবী থেকে শুরু করে ইন্দ্রানী হালদার, তাপস পাল, শতাব্দী রায়ের মতো অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভিড় পরিলক্ষিত হত। চলচ্চিত্র পরিচালক প্রয়াত তরুণ মজুমদার অনেক সিনেমা শুটিং করিয়েছেন। এখানকার শুটিং হওয়া অনেক সিনেমা হিট ও করতো। বাংলার বিভিন্ন জায়গা থেকে সিনেমা পিপাসুরা পাল্লার এই ঐতিহ্যপূর্ণ জায়গাটিকে চাক্ষুষ করার জন্য পাগলের মত ছুটে আসতেন। একপ্রকার অবহেলার কারণেই জায়গাটি শুটিংয়ের অযোগ্য হয়ে পড়ায় অনেক চলচ্চিত্র পরিচালক আর আসতে চাইছেন না। এই জায়গাটিকে সংস্কার করলে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। পুনরায় তা স্বমহিময় ফিরতে পারে। অনেকে দাবী করেছেন সংশ্লিষ্ট সেচ দপ্তর এলাকাটির সংস্কার করে তা পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে দিক।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উত্তম কুমার স্মৃতি বিজড়িত শুটিং স্পট পাল্লা পরিদর্শন ভবনে গরু চড়ছে।

আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার

লুতুব আলি, বর্ধমান, ৫ ডিসেম্বর : সত্তর আশি নব্বই এর দশকে বাংলা চলচ্চিত্র শুটিংয়ের অন্যতম স্পট ছিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পাল্লা পরিদর্শন ভবনে। দামোদর নদের এক্কেবারে গা ঘেঁষে পাল্লা পরিদর্শন ভবন রাজ্য সরকারের সেচও জলপথ দপ্তরের অধীন। অভিযোগ : অবহেলার কারণেই পাল্লা পরিদর্শন ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পরিদর্শন ভবনের বাইরে ও ভিতরে গরু-ছাগল চরে বেড়াচ্ছে। জঞ্জালে পরিণত হয়েছে। পাল্লা পরিদর্শন ভবনের উল্টোদিকে দামোদর নদের চর। যথেচ্ছ ভাবে বালি তোলার ফলে চরগুলি দামোদরের জলের তলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। এই এলাকায় একদা মহানায়ক উত্তম কুমার, সুচিত্রা সেন, সুপ্রিয়া দেবী থেকে শুরু করে ইন্দ্রানী হালদার, তাপস পাল, শতাব্দী রায়ের মতো অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভিড় পরিলক্ষিত হত। চলচ্চিত্র পরিচালক প্রয়াত তরুণ মজুমদার অনেক সিনেমা শুটিং করিয়েছেন। এখানকার শুটিং হওয়া অনেক সিনেমা হিট ও করতো। বাংলার বিভিন্ন জায়গা থেকে সিনেমা পিপাসুরা পাল্লার এই ঐতিহ্যপূর্ণ জায়গাটিকে চাক্ষুষ করার জন্য পাগলের মত ছুটে আসতেন। একপ্রকার অবহেলার কারণেই জায়গাটি শুটিংয়ের অযোগ্য হয়ে পড়ায় অনেক চলচ্চিত্র পরিচালক আর আসতে চাইছেন না। এই জায়গাটিকে সংস্কার করলে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। পুনরায় তা স্বমহিময় ফিরতে পারে। অনেকে দাবী করেছেন সংশ্লিষ্ট সেচ দপ্তর এলাকাটির সংস্কার করে তা পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে দিক।