০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

কেশরপুরে নতুন করে একাধিক জায়গায় ভাঙল নদীবাঁধ

মালদা: মানিকচকের ভুতনীর কেশরপুরে নতুন করে একাধিক জায়গায় ভাঙল নদীবাঁধ। আর সেই ভাঙা বাঁধের অংশ নিয়ে হু হু জল ঢুকে প্লাবিত হল ভূতনীর উত্তর চন্ডীপুরের একাধিক সংরক্ষিত এলাকা। ফলে কার্যত বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকা জুরে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সাত সকালে ভূতনীর কেশরপুরে প্রথমে গঙ্গা নদীর প্রবল জলের তোড়ে পুরনো রিং বাঁধের ২০ মিটার মতো অংশ ভেঙে যায়। উল্লেখ্য, এই ভেঙে যাওয়া এই পুরনো রিং বাঁধটি বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে প্রায় ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দে এক বছর আগেই তৈরি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার প্রথমে সেই পুরনো রিং বাঁধ ভাঙে। এরপর নতুন করার আমলে অদূরেই যে নতুন রিং বাঁধ দিয়ে জল আটকানোর চেষ্টা হয়েছিল, সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। নতুন রিং বাঁধ ভেঙে গঙ্গার জল হু হু করে ভূতনীর উত্তর চন্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশকিছু সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে পড়ে। এরপর বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে পুরনো রিং বাঁধ একাধিক স্থান ভেঙে যায়। কিছুটা দূর অন্তর অন্তর পাঁচটি স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শুক্রবার সকাল থেকেও গঙ্গার জল হু হু করে ঢুকতে থাকে সংরক্ষিত এলাকার দিকে। যার জেরে ভূতনীতে কার্যত বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। কেশরপুর কালুটনটোলার কাছে কিছু পরিবার জলের মধ্যে আটকা পড়ে। জলমগ্ন বাঁধের গোঁড়ায় বর্তমানে তারা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা প্রশাসনের কাছে তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার করুণ আর্জি জানিয়েছেন।

এশিয়ান গেমসে চিন ৮১৫ জন ক্রীড়াবিদের দল পাঠাচ্ছে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেশরপুরে নতুন করে একাধিক জায়গায় ভাঙল নদীবাঁধ

আপডেট : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার
মালদা: মানিকচকের ভুতনীর কেশরপুরে নতুন করে একাধিক জায়গায় ভাঙল নদীবাঁধ। আর সেই ভাঙা বাঁধের অংশ নিয়ে হু হু জল ঢুকে প্লাবিত হল ভূতনীর উত্তর চন্ডীপুরের একাধিক সংরক্ষিত এলাকা। ফলে কার্যত বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকা জুরে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সাত সকালে ভূতনীর কেশরপুরে প্রথমে গঙ্গা নদীর প্রবল জলের তোড়ে পুরনো রিং বাঁধের ২০ মিটার মতো অংশ ভেঙে যায়। উল্লেখ্য, এই ভেঙে যাওয়া এই পুরনো রিং বাঁধটি বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে প্রায় ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দে এক বছর আগেই তৈরি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার প্রথমে সেই পুরনো রিং বাঁধ ভাঙে। এরপর নতুন করার আমলে অদূরেই যে নতুন রিং বাঁধ দিয়ে জল আটকানোর চেষ্টা হয়েছিল, সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। নতুন রিং বাঁধ ভেঙে গঙ্গার জল হু হু করে ভূতনীর উত্তর চন্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশকিছু সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে পড়ে। এরপর বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে পুরনো রিং বাঁধ একাধিক স্থান ভেঙে যায়। কিছুটা দূর অন্তর অন্তর পাঁচটি স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শুক্রবার সকাল থেকেও গঙ্গার জল হু হু করে ঢুকতে থাকে সংরক্ষিত এলাকার দিকে। যার জেরে ভূতনীতে কার্যত বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। কেশরপুর কালুটনটোলার কাছে কিছু পরিবার জলের মধ্যে আটকা পড়ে। জলমগ্ন বাঁধের গোঁড়ায় বর্তমানে তারা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা প্রশাসনের কাছে তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার করুণ আর্জি জানিয়েছেন।